জামাকাপড় কেনার সময় সাইজের ট্যাগে S, M, L, XL কিংবা XXL লেখা দেখে থাকবেন। কোনটি ছোট আর কোনটি বড়, তা অনেকেরই জানা। কিন্তু XL বা XXL-এর ‘X’ অক্ষরটি আসলে কী বোঝায়? এটি কি কোনো বিশেষ কোড, নাকি এর পেছনে রয়েছে সহজ কোনো ব্যাখ্যা? মূলত পোশাকের সাইজে ‘X’ দিয়ে বোঝানো হয় ‘Extra’ বা অতিরিক্ত।
পোশাকের সাইজের অর্থ কী?
পোশাকের মাপ বোঝাতে সাধারণত কয়েকটি ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করা হয়। S-এর পূর্ণরূপ Small, যার অর্থ ছোট। M হলো Medium বা মাঝারি এবং L হলো Large বা বড়। মানুষের শারীরিক গঠনের পার্থক্য বিবেচনায় রেখে এসব মাপের পাশাপাশি আরও ছোট ও বড় সাইজের পোশাক তৈরি করা হয়।
এ ক্ষেত্রে L-এর আগে X যুক্ত হয়ে তৈরি হয় XL বা Extra Large। অর্থাৎ, সাধারণ বড় সাইজের চেয়ে বড় মাপের পোশাক বোঝাতে XL ব্যবহার করা হয়। একইভাবে XXL-এর অর্থ Extra Extra Large। আর XXXL দিয়ে আরও বড় সাইজ বোঝানো হয়।
ছোট মাপের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। XS-এর অর্থ Extra Small, অর্থাৎ সাধারণ ছোট সাইজের চেয়েও ছোট। XXS দিয়ে আরও ছোট মাপের পোশাক বোঝানো হয়।
কত ইঞ্চি হলে কোন সাইজ?
শার্ট বা টি-শার্ট কেনার সময় বুকের মাপ থেকে সাইজ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। প্রচলিত কিছু মাপে XS-এর বুকের মাপ প্রায় ৩৪ থেকে ৩৬ ইঞ্চি, S প্রায় ৩৮ ইঞ্চি, M প্রায় ৪০ ইঞ্চি, L প্রায় ৪২ ইঞ্চি এবং XL প্রায় ৪৪ ইঞ্চি হতে পারে। XXL-এর ক্ষেত্রে বুকের মাপ সাধারণত ৪৬ থেকে ৪৮ ইঞ্চি ধরা হয়।
তবে এগুলো আনুমানিক মাপ। সব ব্র্যান্ডে একই সাইজের পোশাকের মাপ সমান হয় না। পোশাকের ধরন, নকশা, প্রস্তুতকারক ও দেশের প্রচলিত মাপ অনুযায়ী পার্থক্য থাকতে পারে। আবার শার্ট, টি-শার্ট ও প্যান্টের সাইজ নির্ধারণের পদ্ধতিও এক নয়।
পোশাক কেনার সময় কেন সাইজ চার্ট জরুরি?
অনলাইনে পোশাক কেনার সময় গায়ে দিয়ে মাপ যাচাই করার সুযোগ থাকে না। তাই শুধু XL বা XXL লেখা দেখে পোশাক অর্ডার করলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কেনার আগে ব্র্যান্ডের সাইজ চার্ট দেখে বুক, কোমর, কাঁধ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য মাপ মিলিয়ে নেওয়া ভালো।
অর্থাৎ, পোশাকের সাইজে ‘X’ কোনো রহস্যময় সংকেত নয়। এটি ‘Extra’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা পোশাকের সাধারণ মাপের তুলনায় বড় বা ছোট আকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সূত্র : নিউজ১৮ বাংলা
সময়ের আলো/এমকে