‘ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল, তিনজন বেঁচে আছে’

কক্সবাজার সংবাদদাতা

সারাদেশ

‘আমার ভাগনে–ভাগনি ছয়জন মারা গেছে। আমার তিন বোন। আমি একমাত্র ভাই। আমার তিন বোনের পাঁচ ছেলে-মেয়ে মারা গেছে। বড় ভাগনিরও

2026-10-17T21:10:46+00:00
2026-10-17T21:13:22+00:00
 
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন
‘ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল, তিনজন বেঁচে আছে’
কক্সবাজার সংবাদদাতা
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১০ পিএম  আপডেট: ১৭.১০.২০২৬ ৯:১৩ পিএম
কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
‘আমার ভাগনে–ভাগনি ছয়জন মারা গেছে। আমার তিন বোন। আমি একমাত্র ভাই। আমার তিন বোনের পাঁচ ছেলে-মেয়ে মারা গেছে। বড় ভাগনিরও বাচ্চা মারা গেছে। ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল। তিনজন বেঁচে আছে।’ – কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম।

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে তার পরিবারের ছয়জন নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে কক্সবাজারে আসেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার তার পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাদের ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। আগুন লাগার সময় তাদের দুজন বাইরে ছিলেন। পরে তারাই আমিনুলকে দুর্ঘটনার খবর দেন।


শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন বেলা সোয়া দুইটার দিকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তখনো উদ্ধার অভিযান চলছিল।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। সকাল আটটার দিকে কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তিনি বলেন, সমুদ্রের তীব্র বাতাসে কাঠের রিসোর্টটিতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অগ্নিসংকেত ও অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা ছিল না। রিসোর্টটির ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। মাত্র সাত-আট মাস আগে এটি তৈরি হয়েছিল।

এ ঘটনায় নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ঢাকার মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন ও তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান রয়েছেন।


সময়ের আলো/এমকে
  বিষয়:   তিন বোন  ছেলে  মেয়ে  মারা 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: