প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০২ এএম
ছবি : সংগৃহীত জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গ্রামগঞ্জে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের জীবনসংগ্রাম বোঝার চেষ্টা করেন। এ কারণে তাকে ‘তারেক জিয়া’ না বলে ‘আরেক জিয়া’ বলাই যথার্থ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনা সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে জেলার উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
তারেক রহমানের প্রশংসা করে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘আপাদমস্তক তিনি (তারেক রহমান) একজন কর্মঠ মানুষ, একজন মানবদরদি মানুষ।’ তিনি জানান, একদিন সকালে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে নির্ধারিত সময়ের আগে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে দেখেন, তিনি গাড়িতে বসে আছেন। ফলে তারেক রহমানের আগেই সেখানে পৌঁছাতে পারেননি তিনি।
চিফ হুইপ বলেন, তারেক রহমান রাত জেগে কাজ করেন মানুষের জন্য। সরকারের প্রথম সিদ্ধান্ত হিসেবে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের সুদসহ মওকুফের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একজন নেতা পাওয়া গেছে, যিনি কৃষকের কথা ভাবেন।
দেশকে রক্ষা করার পাশাপাশি তারেক রহমান পরিবার কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনদের ক্ষমতায়িত ও শক্তিশালী করতে চান বলেও মন্তব্য করেন নূরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেন, নারীরা যেন সমাজে যথাযথ মর্যাদা পান, সে জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নারীশিক্ষার প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দেশের মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এখন কোনো মেয়ে স্নাতকোত্তর (এমএ) পর্যন্ত পড়তে চাইলে তার সব খরচ সরকার বহন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মায়েরা শিক্ষিত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও শিক্ষিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর জিয়াউর রহমানের হাতে দেশের দায়িত্ব আসার তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। তার দাবি, জিয়াউর রহমান নিজে খাল খনন করেছেন, মাঠে-ময়দানে কাজ করেছেন এবং তাঁর হাত ধরেই দেশে তৈরি পোশাকশিল্প, হাঁস-মুরগি পালনসহ বিভিন্ন উদ্যোগের প্রসার ঘটে।
সময়ের আলো/এসএকে