এলডিসি উত্তরণ : কৌশলী বাণিজ্য কূটনীতি প্রয়োজন

মো. নূর হামজা পিয়াস

মতামত

বিশ্ববাজার এখন প্রযুক্তি ও অটোমেশনের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে কেবল সস্তা শ্রম দিয়ে বেশি দিন টিকে থাকা সম্ভব নয়। দেশের

2026-10-18T06:34:18+00:00
2026-10-18T06:34:18+00:00
 
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
মতামত
এলডিসি উত্তরণ : কৌশলী বাণিজ্য কূটনীতি প্রয়োজন
মো. নূর হামজা পিয়াস
প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৪ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
বিশ্ববাজার এখন প্রযুক্তি ও অটোমেশনের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে কেবল সস্তা শ্রম দিয়ে বেশি দিন টিকে থাকা সম্ভব নয়। দেশের বিশাল কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীকে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ করে তোলা না গেলে আন্তর্জাতিক শিল্প প্রতিযোগিতা থেকে আমরা ছিটকে পড়ব। অটোমেশন ও এআই প্রযুক্তির যুগে উৎপাদনের মান বাড়াতে হলে দক্ষ প্রকৌশলী, টেকনিশিয়ান ও লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের ব্যাপক জোগান নিশ্চিত করতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।

একসময় কেবল শুল্কমুক্ত সুবিধা ও বাণিজ্যিক অগ্রাধিকারের ওপর ভরসা করে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেষ্টা করা হলেও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তির অভাব স্পষ্ট ছিল। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত শিল্প বৈচিত্র্য ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা গঠনে বাংলাদেশ নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়। ফলে একটি শক্ত কাঠামোগত সক্ষমতা গড়ে তোলার আগেই বৈশ্বিক অর্থনীতির মূলধারায় প্রবেশ করার উদ্যোগগুলো বারবার শ্লথ হয়ে পড়েছে। অতীত কৌশলগত দুর্বলতাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশকে একটি কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট রূপরেখার দিকে এগোতে হচ্ছে।

২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণ স্থগিত করার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাম্প্রতিক অনুরোধটি জাতীয় অর্থনৈতিক কৌশলে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। আগের নির্ধারিত সময়সীমার চেয়ে তিন বছর অতিরিক্ত বিরতি নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিক নীতিতে একটি সাহসী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা, অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি এবং ব্যাংক খাতের সংস্কারের প্রেক্ষাপটে এই মেয়াদ বৃদ্ধি কেবল সময়ক্ষেপণ নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতি পুনর্গঠনের একটি কৌশলগত মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যদিও বাংলাদেশ ২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে জাতিসংঘের কারিগরি মানদণ্ড পূরণ করে আসছে, কিন্তু ‘উন্নয়নশীল’ মর্যাদা থেকে ‘এলডিসি-পরবর্তী’ বাস্তবতায় উত্তরণের পথটি কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতায় পরিপূর্ণ। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচকে নির্ধারিত মান ছাড়িয়ে গেলেও অভ্যন্তরীণ শিল্পের দুর্বলতা এবং রাজস্ব আহরণের নিচু হার অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে রাখছে। জাতিসংঘের কাগজে-কলমের পরিসংখ্যান অর্জনের মাধ্যমে রূপান্তর ঘটানো সম্ভব হলেও প্রকৃত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে বহাল রয়েছে।

এই কৌশলগত বিরতিটি কেবল একটি সময়সীমা বিলম্বিত করার বিষয় নয়; এর উদ্দেশ্য হলো, জাতি যখন অবশেষে এলডিসি প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরিয়ে আসবে, তখন যেন একটি স্থিতিশীল ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে। তাড়াহুড়ো করে রূপান্তর ঘটালে দেশের রফতানি খাত যে বিশাল শুল্ক ধাক্কার মুখোমুখি হতো, তা সামলানো অর্থনীতির পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াত। তাই ইআরডির আবেদন অনুযায়ী এই বাড়তি সময়টি দেশের রফতানি খাত, শুল্ক কাঠামো এবং লজিস্টিক সাপোর্টকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার একটি সুযোগ প্রদান করছে।

বাংলাদেশ কি এই বিরতিকে তার শিল্পোন্নয়নের একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করবে? এই প্রশ্নটিই এখন দেশের অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের ভাবিয়ে তুলছে। বিগত বছরগুলোতে দেশের রফতানি আয় প্রধানত তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই তিন বছরের প্রস্তুতির সময়ে যদি শিল্প বহুমুখীকরণ, উচ্চ প্রযুক্তির সংযোজন এবং দেশীয় শিল্পের মান বাড়াতে বিনিয়োগ না করা হয়, তবে মেয়াদ বৃদ্ধির মূল উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে। বাংলাদেশকে তাই দ্রুতগতিতে নীতি সংস্কারে মনোযোগ দিতে হবে।

আমাদের রফতানি আয়ের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাত থেকে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের যেকোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নাজুক। এলডিসি উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা অন্যান্য উন্নত বাজারে যে বিশেষ শুল্কমুক্ত সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে, তা মোকাবিলা করার মতো বিকল্প রফতানি পণ্য এখনও গড়ে ওঠেনি। শিল্প খাতের নীতি কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার না করে একক পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভশীলতা অব্যাহত রাখলে রফতানি আয়ে মারাত্মক পতন ঘটতে পারে, যা ব্যাহত করবে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা।

পোশাক শিল্পের বাইরে চামড়া, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ পণ্যের বিশাল বৈশ্বিক সম্ভাবনা থাকলেও পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও নীতির অভাবে এগুলো বিকশিত হতে পারছে না। ২০২৯ সালের নতুন সময়সীমার ভেতরে এসব উদীয়মান খাতকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুল্ক ছাড়, বিদ্যুৎ ও কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিয়ে প্রস্তুত করতে হবে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে হলে রফতানির ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনার বিকল্প কোনো পথ বর্তমানে অর্থনৈতিক নীতিতে নেই।

এলডিসি-পরবর্তী সময়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে এলে দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট করা জরুরি হয়ে উঠবে। জাপান, চীন, ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কার্যকর পিটিএ বা এফটিএ সম্পাদনের আলোচনা এখন থেকে বেগবান করা দরকার। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক জোটগুলোতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের নতুন পথ খুঁজে বের করা বর্তমান বাণিজ্য কূটনীতির অন্যতম বড় দায়িত্ব। বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশের অবস্থান এখনও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বেশ পিছিয়ে রয়েছে।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, গ্যাস-বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ এবং কাস্টমস ব্যবস্থার বিলম্ব দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহ করে। অর্থনৈতিক সুবিধা ধরে রাখতে হলে ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রদান সহজ করা, কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগকারী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। কেবল একটি স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশই নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

পণ্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়লেও তা আন্তর্জাতিক বাজারে সময়মতো পৌঁছানো একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কনটেইনার টার্মিনালগুলোর আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সুবিধা জোরদার করতে হবে। দেশের সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর এবং বিমানবন্দরগুলোর সংযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো না গেলে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসায়িক খরচ বাড়িয়ে দেবে।

বিশ্ববাজার এখন প্রযুক্তি ও অটোমেশনের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে কেবল সস্তা শ্রম দিয়ে বেশি দিন টিকে থাকা সম্ভব নয়। দেশের বিশাল কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীকে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ করে তোলা না গেলে আন্তর্জাতিক শিল্প প্রতিযোগিতা থেকে আমরা ছিটকে পড়ব। অটোমেশন ও এআই প্রযুক্তির যুগে উৎপাদনের মান বাড়াতে হলে দক্ষ প্রকৌশলী, টেকনিশিয়ান ও লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের ব্যাপক জোগান নিশ্চিত করতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।

বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন, যা সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংস্থানের পথ রুদ্ধ করে রেখেছে। এলডিসি উত্তরণের পর বিদেশি সহজ শর্তের ঋণ ও অনুদান বহুলাংশে কমে যাবে, তাই উন্নয়নমূলক বাজেট বাস্তবায়নে নিজস্ব অর্থায়নের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। রাজস্ব কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন এবং কর ফাঁকি রোধ করার মাধ্যমে জাতীয় কোষাগারকে সমৃদ্ধ করতে না পারলে মেগা প্রজেক্ট এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন থমকে যাবে।

অর্থনীতির চালিকাশক্তি হলেও বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, খেলাপি ঋণ ও মূলধন সংকটে ভুগছে। ব্যাংক খাতের সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত না করলে নতুন শিল্প খাতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে না। 

খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি জোরদার করা অপরিহার্য। একটি শক্ত ও অনুশাসন মেনে চলা আর্থিক খাতই পারে সংকটকালে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল ও ঋণ সহায়তা দিতে। বিশ্ববাণিজ্য নীতিতে বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। 

পরিবেশবান্ধব কারখানা নির্মাণ ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতিবাচক উন্নতি করলেও সার্বিক শিল্প খাতের গ্রিন কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা দরকার। আন্তর্জাতিক বহুপক্ষীয় জলবায়ু তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান ও কম সুদের ঋণ এনে সবুজ প্রযুক্তিতে রূপান্তর ঘটাতে না পারলে বিশ্ববাজারের ক্রেতারা অন্যান্য বিকল্প দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।

উত্তরণ-সংক্রান্ত তিন বছরের অতিরিক্ত সময়কে কাজে লাগাতে হলে সরকার ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে। পলিসি লেভেলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সংগঠন, রফতানিকারক এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামতের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন ঘটানো জরুরি। একটি স্পষ্ট কৌশলপত্র বা রোডম্যাপ তৈরি করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন তদারকি করা প্রয়োজন, যাতে সময়সীমা আবার শেষ হয়ে গেলে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সমস্যা না হয়।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং রফতানি আয়ই মূলত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে সচল রাখে। হুন্ডি প্রতিরোধ করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনার পাশাপাশি নতুন নতুন দেশে দক্ষ কর্মী পাঠানো ত্বরান্বিত করতে হবে। রিজার্ভের ওপর চাপ কমলে মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল থাকবে, যা আমদানিকৃত কাঁচামাল ও জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরাসরি সাহায্য করবে। সার্বিক অর্থনৈতিক সামষ্টিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হলে প্রবাস আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার।

সাম্প্রতিক পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বাজার বা দেশের ওপর নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। আসিয়ান অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকার নতুন উদীয়মান বাজারগুলোতে পণ্যের নতুন বাণিজ্যিক পথ তৈরি করতে হবে। আঞ্চলিক অবকাঠামোগত ট্রানজিট এবং সড়ক যোগাযোগ জোরদার করার মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক বাণিজ্য বাড়ানো গেলে তা আন্তর্জাতিক বাজারের নেতিবাচক প্রভাবগুলোকে সামাল দিতে একটি প্রতিরক্ষামূলক ঢাল তৈরি করবে।

লেখক : শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   এলডিসি উত্তরণ  বাণিজ্য কূটনীতি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: