প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম আপডেট: ১৮.১০.২০২৬ ৭:৫৫ পিএম
আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ছবি : সংগৃহীত রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন সচিবালয়ে দাফতরিক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য অধিদফতরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
কেমন হবে নতুন সচিবালয়?
প্রস্তাব অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠের প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জায়গায় নতুন সচিবালয় নির্মাণ করা হবে। এতে তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন থাকবে। ভবনগুলোতে মোট প্রায় ৩৩ লাখ ১৬ হাজার বর্গফুট জায়গা পাওয়া যাবে।
নতুন সচিবালয়ে তিন হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া একটি মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতার দুটি বহুমুখী হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধার রাখা হবে।
কেন সরানো হচ্ছে সচিবালয়?
বর্তমান সচিবালয়ের ১৭ দশমিক ৫৭ একর জায়গায় ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি স্বাধীনতার আগে নির্মিত। পুরোনো কয়েকটি ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে তৈরি হওয়ায় সেগুলো ভূমিকম্প সহনশীল নয় বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বর্তমান ভবনগুলোতে পর্যাপ্ত অফিস স্পেস, শৌচাগার ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশের ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৮ লাখ ৭৬ হাজার বর্গফুট অফিস স্পেস থাকলেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য আরও ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি জায়গা প্রয়োজন।
নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে মন্ত্রণালয়গুলোর স্থানসংকট কমবে এবং দাফতরিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সময়ের আলো/এমকে