৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্য সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর

2026-10-18T20:51:54+00:00
2026-10-18T20:52:55+00:00
 
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
অর্থনীতি
৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্য সরকারের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫১ পিএম  আপডেট: ১৮.১০.২০২৬ ৮:৫২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সভায় বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত রটারডাম কনভেনশনে বাংলাদেশের যোগদানের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে প্রণীত ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রণোদনাও ঘোষণা করা হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারি কোম্পানির ভবনের ছাদে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিকে বলা হয় ওপেক্স মডেল। অন্যদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় রয়েছে, সেগুলোকে ভবিষ্যৎ আয় বিবেচনায় মূলধনি ব্যয়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে, যা ক্যাপেক্স মডেল হিসেবে পরিচিত।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ওপেক্স মডেলে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ, ছাদ ব্যবহারের বিনিময়ে বিদ্যুতের অংশ প্রদান এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান নেই। একইভাবে, ক্যাপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সেবা গ্রহণের বিষয়েও বিদ্যমান আইনগুলোতে সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকায় নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত রটারডাম কনভেনশনে বাংলাদেশের যোগদানের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ১৯৯৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গৃহীত কনভেনশনটি ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। এতে ইতোমধ্যে ১৬৭টি দেশ সদস্য হয়েছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভুটান ছাড়া অন্য দেশগুলো এ কনভেনশনে যোগ দিয়েছে।


কনভেনশনে যোগ দিলে বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে বৈদেশিক অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

এ ছাড়া বিপজ্জনক রাসায়নিকের তথ্যভান্ডার তৈরি, এসব রাসায়নিকের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে যৌথ দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হবে।

কনভেনশনের আওতায় সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশক বিষয়ে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও আইনি তথ্য বিনিময় করতে পারবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় রটারডাম কনভেনশনের সচিবালয় থেকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতাও পাওয়া যাবে।

সময়ের আলো/এসএকে
  বিষয়:   মেগাওয়াট  সৌরবিদ্যুৎ  সরকার  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: