প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত রাজধানীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪০০ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ৫২০ পিস ইয়াবা ও ৩৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। ১৭ ও ১৮ অক্টোবর সবুজবাগ, ডেমরা, মতিঝিল ও কোতোয়ালি সার্কেলের চারটি দল এসব অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চারটি নিয়মিত মামলা ও ১৬টি মোবাইল কোর্ট মামলা করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফের নির্দেশনায় এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এসব অভিযান চালানো হয়।
১৮ অক্টোবর সবুজবাগ থানাধীন অতীশ দীপঙ্কর রোডের বৌদ্ধমন্দিরের পশ্চিম পাশে একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৪০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরিদর্শক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে মো. জেনারুল ইসলাম (৩৫) ও মো. মনিরুল ইসলাম (৫৫) নামের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জগামী বাসটি থেকে তাদের দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেরোইন বিক্রি করে আসছিলেন।
পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে ১৭ অক্টোবর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া কাঠেরপুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. শামীম খান ওরফে খোকন (৪৪) ও মো. শাহবুদ্দিনকে (৫৫) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাসের নেতৃত্বে পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ গ্রাম গাঁজাসহ আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মোবাইল কোর্ট তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেন।
পরিদর্শক মুহাম্মদ সাজেদুল আলমের নেতৃত্বে ১৭ অক্টোবর মতিঝিলের ফকিরাপুল ও গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ মোড় এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. নাইম (৩২) ও মো. আলী হোসেনকে (৪৮) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এবং উপপরিদর্শক আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর পরিচালনায় কোতোয়ালি, বংশাল ও পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ গ্রাম গাঁজাসহ আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর জানিয়েছে, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
সময়ের আলো/এসএকে