আস্থা মিলল অর্থ নয়

এসএম আলমগীর

অর্থনীতি

থাইল্যান্ডের ব্যাংককের সিরিকিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শেষ হলো আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ১৯০টি

2026-10-19T00:34:12+00:00
2026-10-19T00:41:13+00:00
 
  সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬,
৩ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
অর্থনীতি
আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক বৈঠক
আস্থা মিলল অর্থ নয়
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম  আপডেট: ১৯.১০.২০২৬ ১২:৪১ এএম
থাইল্যান্ডের ব্যাংককের সিরিকিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শেষ হলো আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা। ছবি : সংগৃহীত
থাইল্যান্ডের ব্যাংককের সিরিকিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শেষ হলো আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ১৯০টি দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা উপস্থিত। বাংলাদেশের জন্য এবারের বৈঠকের মূল প্রশ্ন ছিল— নতুন সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারে আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের আস্থা কতটা।

এর উত্তর মিলেছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ব্রিফিংয়ে। ব্যাংককে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে আইএমএফ সন্তুষ্ট।’ এই সন্তুষ্টিই এবারের সবচেয়ে বড় অর্জন, কারণ এর ওপর ভিত্তি করেই আসবে পরবর্তী ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ এবং বিশ্বব্যাংকের পাঁচ বছরের সহায়তা প্যাকেজ। তবে এবারের বৈঠকে তাৎক্ষণিক অর্থ ছাড়ের তেমন কোনো আশ্বাস মেলেনি। আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছি এবং চলমান বৈশ্বিক সংঘাত বিবেচনায় আমাদের অগ্রগতিতে আইএমএফ সন্তুষ্ট।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ২ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছিল, মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩ মাস এবং চলতি বিএনপি সরকারের আট মাসে রিজার্ভ ২৭ বিলিয়নে উঠেছে, মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে নেমেছে। এ প্রেক্ষাপটেই আইএমএফের এই মূল্যায়নকে সরকার ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আইএমএফ যদি অসন্তুষ্ট থাকত, তা হলে নতুন প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনাই এগোত না।

নতুন ৪.৫ বিলিয়ন ডলার কবে, কীভাবে মিলবে : বাংলাদেশ এবার আইএমএফের কাছে নতুন করে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি চেয়েছে। এই ঋণ চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ত্রৈমাসিক কিস্তিতে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ সরকার ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়েছিল, যা পরে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন করা হয়। সেই ঋণের পাঁচটি কিস্তিতে ৩ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার ছাড় হয়েছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আট মাস আগেই সেই কর্মসূচি শেষ করে নতুন কর্মসূচির আবেদন করেছে।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘নতুন প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা ভালোভাবে এগিয়েছে। প্রক্রিয়া সামনের দিকে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করছি।’

তবে নতুন ঋণের ব্যাপারে আইএমএফ দুটি বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। প্রথমত ব্যাংকিং খাতের পুনঃমূলধনীকরণের বিষয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বাঁচাতে ৩০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। সরকার এই খাতে সংস্কার শুরু করেছে, ৬টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে। এসব বিষয়ে আইএমএফ উদ্বেগ জানিয়েছে। 

দ্বিতীয়ত ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাতে যে গ্যাপ রয়েছে সেটি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আইএমএফ। বাংলাদেশে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৭ দশমিক ৮ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন। ভারতে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ, নেপালে ১৭ শতাংশ। আইএমএফ চায় এটি ২০২৯ সালের মধ্যে ১০ শতাংশে নিতে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের পর্যবেক্ষণ স্বাভাবিক। অনেক বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে, কিছু সমাধানও হয়েছে। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আগামী কয়েক মাস আলোচনা চলবে।’

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পাঁচ বছরের নতুন চুক্তি : এবারের বৈঠকের দ্বিতীয় বড় অর্জন বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ)। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, মৌলিক নীতিগত বিষয়ে বড় কোনো দ্বিমত নেই। আগামী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে যৌথ কর্মপরিকল্পনার আওতায় চূড়ান্ত আলোচনা হবে। এই ফ্রেমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ওপর ভিত্তি করেই বিশ্বব্যাংক আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে কত ঋণ দেবে, কোন খাতে দেবে তা ঠিক হবে। গত সিপিএফ ছিল ২০২৩-২০২৭ মেয়াদের, যেখানে ১৫ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ছিল। নতুন সিপিএফ ২০২৬-২০৩১ মেয়াদের হবে এবং এর আকার ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে বিশ্বব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া বৈঠকের সাইডলাইনে অর্থমন্ত্রী ব্যাংক অব আমেরিকা, গুগল, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং মুডি’সের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মুডি’স বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিং নিয়ে আলোচনা করেছে। বর্তমানে মুডি’সে বাংলাদেশের রেটিং ই১, যা জাঙ্ক ক্যাটাগরির এক ধাপ ওপরে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সঙ্গে আমাদের বৃহৎ নীতি ঐকমত্য হয়েছে— ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা, কর আদায় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা।’
আর পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘এবারের বৈঠকে কোনো চেক হাতে আসেনি, কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো আস্থা। নতুন সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের যে উন্নয়ন কাঠামো তৈরি হচ্ছে, তাতে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক পাশে থাকবে— এই বার্তাটা গেছে।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ৪.৫ বিলিয়ন ডলার নতুন ঋণ মানে নতুন শর্ত। ট্যাক্স-জিডিপি ১০ শতাংশ করতে হলে ভ্যাট ও আয়করের আওতা বাড়াতে হবে, যা মধ্যবিত্তের ওপর চাপ ফেলবে। আবার ব্যাংকিং খাতে সংস্কার করতে গেলে অনেক প্রভাবশালী ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে যেতে হবে। সরকার সেই রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখাতে পারবে কি না সেটাই দেখার বিষয়।

সামনের পরিস্থিতি কেমন হবে : আগামী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ঢাকায় আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের মিশন আসবে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবে। যদি সব ঠিক থাকে, ডিসেম্বর ২০২৬-এ আইএমএফ বোর্ডে বাংলাদেশের নতুন ঋণ প্রস্তাব অনুমোদিত হবে। প্রথম কিস্তি আসতে পারে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাংকের নতুন সিপিএফ অনুমোদন হলে বছরে গড়ে ৩-৪ বিলিয়ন ডলার সহায়তা আসবে, যা বর্তমানে ২ বিলিয়ন। অর্থাৎ ব্যাংককের বৈঠক থেকে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ডলার পায়নি, কিন্তু ডলার পাওয়ার রাস্তাটা পরিষ্কার করেছে। সংকটে থাকা অর্থনীতির জন্য এই আস্থাই এখন সবচেয়ে বড় মুদ্রা।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের এবারের বার্ষিক সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির অন্যতম লক্ষ্য ছিল উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানো, বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, অর্থনৈতিক সংস্কারে সহযোগিতা এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

সভা ঘিরে আলোচনা, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও বিনিয়োগ-সম্ভাবনা অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পেরেছে। বিশ্বব্যাংকের বেসরকারি খাতে অর্থায়ন বাড়ানোর উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাতের সংস্কার নিয়ে আলোচনা এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গে যৌথ উৎপাদন ও বাণিজ্যের সম্ভাবনা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

তবে এ সভা থেকে বাংলাদেশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বড় নতুন ঋণ বা অনুদান প্যাকেজ ঘোষণার তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে সভার তাৎপর্যকে তাৎক্ষণিক অর্থপ্রাপ্তির চেয়ে ভবিষ্যৎ অর্থায়ন, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশের জন্য এবারের সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল উন্নয়ন অর্থায়নের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে বেসরকারি পুঁজি আকর্ষণের সুযোগ খোঁজা। সরকারি ঋণ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া বড় অবকাঠামো, শিল্পায়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণ কঠিন।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আলোচনায় উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ঝুঁকি কমানো, বিনিয়োগের নিশ্চয়তা, ঝুঁকি ভাগাভাগি এবং স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়নের মতো বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এসব ব্যবস্থা কার্যকর হলে বিনিয়োগকারীদের কাছে উন্নয়নশীল দেশের প্রকল্পগুলো তুলনামূলক আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ : সভা শুরুর প্রথম দিনেই বাংলাদেশের অর্থায়ন-সংক্রান্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি ছিল বিশ্বব্যাংকের কাছে আগামী তিন বছরে নিয়মিত সহায়তার বাইরে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলারের ঋণ চাওয়া। জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, ভর্তুকির চাপ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে এই অর্থ চেয়েছে সরকার।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ব্যয়ের চাপ বাড়ছে। এই চাপ মোকাবিলায় আগামী দুই থেকে তিন বছরের জন্য একটি আর্থিক সুরক্ষাবলয় তৈরিতে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে পারে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ১০ বিলিয়ন ডলারের বিষয়টি অনুমোদিত ঋণ নয়, এটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা অতিরিক্ত অর্থায়নের অনুরোধ। কত অর্থ, কী শর্তে এবং কোন সময়সূচিতে পাওয়া যাবে, তা নির্ধারণে আলোচনা ও সমঝোতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এখানে বাংলাদেশের জন্য দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত বৈদেশিক অর্থায়ন পেলে জ্বালানি ব্যয় ও বাজেটের ওপর চাপ সামলানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত ঋণের পরিমাণ, সুদ, পরিশোধের সময়সীমা এবং অর্থ ব্যবহারের শর্ত বিবেচনা করে এর প্রকৃত অর্থনৈতিক সুফল নির্ধারিত হবে।

সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ কর্মসূচি নিয়ে অগ্রগতি : আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাও ছিল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। সরকারের লক্ষ্য প্রায় ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য ঋণ কর্মসূচির শর্তগুলো নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো এবং সংস্কার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, সরকার একসঙ্গে অনেক সংস্কার কার্যকর করার পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পক্ষে। অর্থাৎ সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করতে চাইলেও কোন সংস্কার কখন এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 
  বিষয়:   আস্থা  আইএমএফ  বিশ্বব্যাংক  বৈঠক 


Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: