প্রকাশ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ এএম
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভের পাল্টা অবস্থান নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘লাল হিট জনতা পার্টি’। ছবি : সংগৃহীতভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভের পাল্টা অবস্থান নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘লাল হিট জনতা পার্টি’। রবিবার দিল্লির মালব্য স্মৃতি ভবনে প্রথম সদস্য সমাবেশের আয়োজন করে দলটি। সেখানে বিক্ষোভকারীদের পাশাপাশি কংগ্রেসেরও সমালোচনা করেন বক্তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
নতুন এই গোষ্ঠীর অভিযোগ, বিক্ষোভের মাধ্যমে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের আস্থা দুর্বল করা হচ্ছে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দিল্লির কনট প্লেসসহ বিভিন্ন এলাকায় ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের মধ্যে দলটির আত্মপ্রকাশ ঘটল।
লাল হিট জনতা পার্টির প্রধান অয়ন ভাটনগর বলেন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ এবং অল্প সময়ের নোটিশে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো করার সক্ষমতা দেখানোই ছিল সমাবেশের উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ডাক দিলে কত মানুষ জড়ো হবেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
দশেরাকে অশুভের বিরুদ্ধে শুভর বিজয়ের উৎসব উল্লেখ করে ভাটনগর বলেন, মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গণ্ডি পেরিয়ে রাস্তায় নামতে হবে। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে তিনি ‘পোকামাকড়’, ‘তেলাপোকা’ ও ‘তেলাপোকার মতো প্রাণী’ ধরনের শব্দ ব্যবহার করেন।
ভাটনগরের দাবি, দশেরা থেকে দীপাবলি পর্যন্ত সময় ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে কনট প্লেসের মতো বাণিজ্যিক এলাকায় বিঘ্ন সৃষ্টি সহ্য করা হবে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা) ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন দিচ্ছে। এসব সংগঠনের লক্ষ্য বিজেপি সরকারকে সরিয়ে নিজেদের সরকার প্রতিষ্ঠা করা বলেও দাবি করেন তিনি।
ভাটনগর বলেন, গণতন্ত্র ও দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষার লক্ষ্যেই নতুন দলটি গঠন করা হয়েছে। দশেরার দিন থেকেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অবসান শুরু হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সময়ের আলো/এমকে