এ সময় আবেগতাড়িতভাবে ইশরাক হোসেন বলেন, কেবল আমার নিরাপত্তার জন্যই অস্ত্র তাক করিয়েছিলাম। আশপাশের আধিপত্যবাদী শক্তি এই দেশে মাদক প্রবেশ করিয়ে তরুণ সমাজকে ধ্বংস করছে৷ একাত্তরের যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়নি৷ যুদ্ধ চলমান রয়েছে৷
তিনি বলেন, ‘আমি জমি দখল কিংবা চাঁদাবাজি করতে সেখানে যাইনি। গণমাধ্যমের কাছে আশা ছিল যারা আমার এই কাজকে সাপোর্ট দিবে৷ কিন্তু নিউজে গুরত্ব পেল শুধু অস্ত্র আর ইশরাক৷ প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে আমি নিজেই পদত্যাগ চেয়েছি। আমার কারণে যাতে উনার কর্মকাণ্ড ঢাকা না পড়ে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
নিজের আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয়ে ইশরাক বলেন, ‘আমার নিজস্ব লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে যা আমার কোমরে সব সময় থাকে।’
তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্তে নয়, বিশেষ কারণে নিজেই পদত্যাগ করছেন। ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, এবার সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন বিএনপি কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে শতগুণ বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করবেন।
ইশরাক আরও জানান, পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন জেলা সফর করবেন।
এর আগে সোমবার সকালে ফেসবুক পোস্টে দুপুর ২টায় সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানান তিনি। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজনে বিদেশে থাকা সমর্থকদেরও দেশে ফিরে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
রোববার বিকেলে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের মুখে পড়েন ইশরাক। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সরকারসংশ্লিষ্ট একাধিক উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে। যদিও রোববার রাতে তিনি এ খবরকে গুজব বলে দাবি করেছিলেন।
সময়ের আলো/এমকে