পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে দুই পক্ষ এক হয়েছে

রাজশাহী ও রংপুর ব্যুরো

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে

2026-10-21T02:41:52+00:00
2026-10-21T02:43:04+00:00
 
  বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬,
৫ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়
রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী
পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে দুই পক্ষ এক হয়েছে
রাজশাহী ও রংপুর ব্যুরো
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪১ এএম  আপডেট: ২১.১০.২০২৬ ২:৪৩ এএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে, যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকেট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে। আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে রংপুরে দুর্গাপূজার মহানবমীতে মন্দির পরিদর্শন করে সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানান তিনি। একই দিনে রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভায় তিনি বন্ধ কলকারখানা চালু, কৃষিঋণ মওকুফ, কৃষি কার্ড বিতরণ, খাল খননসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সীমান্তের ওপার থেকে প‌া‌লি‌য়ে যাওয়া স্বৈরাচার পয়সা দিচ্ছে, আর এই দে‌শে ব‌সে আরেক দল অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, তারা সেখান থে‌কে অর্থ সরবরাহ করে জনগ‌ণের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত কর‌ছে। একটি দল আছে, যারা নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে মিথ্যে কথা বলে বিভিন্ন টিকেট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল। স্বৈরাচার এই দল মি‌লে তারা দেশের মধ্যে এখন ‌বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ) আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জনসভায় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ভাইয়েরা যাতে বেকার না থাকেন, সে জন্য সরকার গঠনের সাত মাসের মধ্যে সারা দেশে ৬টি বন্ধ মিল-কারখানা উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪৬টি বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের প্রায় ৪০ হাজার আখচাষির জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের সাত দিনের মাথায় ১৩ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে এবং এ বছরই ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সেচ ও পানির সংকট নিরসনে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, যার মধ্যে গত আট মাসে ৮০০ কিলোমিটার খনন সম্পন্ন হয়েছে। পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা, পরিবেশ রক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, মেয়েদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ও উপবৃত্তি প্রদান এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একাত্তর ও চব্বিশের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত ছাত্র ও সাধারণ নিরীহ মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। বিএনপি একুশ, একাত্তর ও চব্বিশকে ধারণ করে বলেই শহিদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গত সোমবার সেই শহিদদের স্মরণে আমরা ঢাকার ওসমানী উদ্যানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। যারা মুখে চব্বিশকে ধারণ করার কথা বলে, এমন সব রাজনৈতিক দলকে আমরা দাওয়াত দিয়েছিলাম। কিন্তু জুলাই শহিদদের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। অর্থাৎ ১৯৭১ সালে তারা যেভাবে জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের ক্ষেত্রেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তাদের মুখে এক কথা, আর কর্মে আরেক প্রতিফলন।

ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যের ডাক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়েও যখনই তারা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের কাজে হাত দিয়েছিলেন, তখনই দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে গতিরোধ করার চেষ্টা করেছে। সেই কুচক্রী মহল আবার সজাগ হয়ে দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তাই উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দেশবাসীকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ সময় এসেছে বাংলাদেশের জনগণকে সচেতন হওয়ার। আজ থেকে আমাদের সচেতন হতে হবে, যাতে কেউ বাংলাদেশে আর কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে; বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, এটিকে যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন। সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও বিএমডিএর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন। এ ছাড়া মঞ্চে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনসভা পরিচালনা করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।

আখচাষিদের প্রণোদনা : রাজশাহী পৌঁছেই ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষিকে সরকারি প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠের জনসভা মঞ্চে বসে তিনি ল্যাপটপের বাটন চেপে কৃষকদের এই প্রণোদনা দেন। কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে এই টাকা পৌঁছে যায়। সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা মোবাইলে এসএমএস পান।

জনসভার প্রথম পর্বে প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের এই প্রণোদনা দেন। তিনি বলেন, ৩৮ হাজার ৯৭০ জন কৃষককে ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া হলো। পরে তিনি ১৫টি মিল জোনের ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রতীকি চেক তুলে দেন। পরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দলীয় সংসদ সদস্য ও নেতারা বক্তব্য শুরু করেন। এর আগে বেলা ৩টার কিছু পরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী সামরিক বিমানটি রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (র.) বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদরাসা মাঠে জনসভায় যোগ দেন। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমে রংপুরে যান। পরে রংপুর থেকে রাজশাহী আসেন। রাজশাহী থেকে বিকালেই তিনি চট্টগ্রাম যাবেন। চট্টগ্রামের জে এম সেন হল রহমতগঞ্জ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের শেষে রাতেই ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই : রংপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় পূজারি ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে একনজর দেখতে মন্দির এলাকায় ভিড় করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এর আগে সৈয়দপুর থেকে রংপুরে আসার পথে পাগলাপীরে সড়কের দুই পাশে সমবেত হাজারো মানুষের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশ।’ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে রংপুর নগরী ও সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারাগঞ্জ, পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান বিপুলসংখ্যক মানুষ। মোটর শোভাযাত্রায় যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম রংপুর সফর।

মন্দিরে শুভেচ্ছা বিনিময় : মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্দির কমিটির সভাপতি ভবতোষ সরকার বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার, বাংলাদেশ পূজা উদ‌যাপন পরিষদ রংপুর জেলা শাখার সভাপতি রামজীবন কুণ্ডু, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার রায় এবং মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব পলাশ কান্তি নাগ।

মন্দিরে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী পূজারি ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শুভেচ্ছা জানান এবং উপস্থিত মানুষের অভিবাদনের জবাব দেন। তার আগমন ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ভক্তদের অনুরোধে তিনি তাদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন। শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

রংপুরের ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দির নগরীর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় কেন্দ্রগুলোর একটি। দুর্গাপূজাকে ঘিরে এখানে প্রতি বছর ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজনও হয়ে থাকে। মহানবমীর দিনে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে ভক্তদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ দেখা যায়। মন্দির কমিটি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি পূজামণ্ডপের পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময়ের আয়োজন করেন।

পাগলাপীরে সম্প্রীতি ও ঐক্যের আহ্বান : রংপুর সফরের পথে পাগলাপীরে সড়কের দুই পাশে সমবেত হাজারো মানুষের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশ। দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় তার সরকার। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশ গড়ার কাজেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, ‘আমরা সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ে তুলতে চাই। আপনারা কি আমার সঙ্গে আছেন?’ এ সময় উপস্থিত জনতা হাত তুলে সমর্থন জানান।

উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা : শারদীয় দুর্গোৎসবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তোলার পাশাপাশি ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাটসহ বিভিন্ন খেলাসামগ্রী উপহার দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সামরিক বিমানে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে বাসযোগে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করার সময় সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে দাঁড়ান তিনি। কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের দেখে বাস থামান প্রধানমন্ত্রী। তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং বিভিন্ন খেলাসামগ্রী উপহার দেন।

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিমানবন্দর থেকে রংপুরে যাওয়ার পথে কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে প্রধানমন্ত্রী বাস থামান। পরে তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাটসহ বিভিন্ন খেলাসামগ্রী উপহার দেন।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/আতা
  বিষয়:   রাজশাহী  জনসভা  প্রধানমন্ত্রী  পরিষ্কার  গোয়েন্দা তথ্য  সময়ের আলো  আওয়ামী লীগ  জামায়াতে ইসলামী  বিএনপি 


Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: