প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৯ পিএম
ঘের দিয়ে দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ছবি : সময়ের আলোবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পঞ্চকরণ ও পুটিখালী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সোনাখালী স্লুইস গেটসংলগ্ন খারইখালী সরকারি খালের মোহনায় পলি জমে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ জায়গা ঘের দিয়ে দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা দখল করা জমি উদ্ধার, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনস্বার্থে খালটি উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে সোনাখালী-পঞ্চকরণ স্লুইসগেট এলাকায় খাল দখলের প্রতিবাদে সভা করেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পঞ্চকরণ-সোনাখালী সীমান্তে পানগুছি নদীর শাখা হিসেবে পরিচিত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ শতবর্ষী খারইখালী খালের মোহনায় পলি জমে চর সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ওই জায়গার একটি বড়ো অংশ ঘের-বেড়া দিয়ে দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। এ ঘটনায় গত দুইদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহম্মেদ, পঞ্চকরণ ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান টুকু, বিএনপি নেতা আলো শেখ ও মশিউর রহমান হাওলাদারসহ একাধিক গ্রামবাসীর অভিযোগ, এলাকার বাবুল মীর, জাহাঙ্গীর মীর ও তাঁর বোন ডলি আক্তার লোকজন নিয়ে এসে জমিটি নিজেদের দাবি করে ঘের-বেড়া দিয়েছেন। তাদের দাবি, সরকারি খালের জমি উদ্ধার করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাবুল মীর। তিনি বলেন, তারা সরকারি খালের কোনো জমি দখল করেননি। তাদের পরিবারের রেকর্ডভুক্ত ৩ একর ৩৯ শতক জমির মধ্যেই ঘের-বেড়া দেওয়া হয়েছে।
মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুল্লাহ বলেন, সরকারি খাল ব্যক্তিগতভাবে দখল করে রাখার অধিকার কারও নেই। খাল দখলের অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। জমিটি সরকারি খালের রেকর্ডভুক্ত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/এনএন