প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
প্রতীকী ছবিএবারের শীতে দেশে চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এসব শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।
নভেম্বর ২০২৬ থেকে জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত তিন মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ সময়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন কুয়াশার দাপট থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, মৃদু শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। বিশেষ করে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকা, উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
তবে শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার প্রকোপ থাকলেও সামগ্রিকভাবে শীত মৌসুমে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
অন্যদিকে, পুরো শীত মৌসুমে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় স্বাভাবিক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
সময়ের আলো/এমকে