অনলাইন শ্রেণিপাঠ ও অ্যাসাইনমেন্ট সমাচার

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

বিবিধ

২০২০ সালের মার্চ মাসের ১৭ তারিখ থেকে কোভিড-১৯-এর কারণে দেশের প্রায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের নির্দেশে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে

2021-07-11T08:41:08+00:00
2021-07-11T08:50:21+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
বিবিধ
অনলাইন শ্রেণিপাঠ ও অ্যাসাইনমেন্ট সমাচার
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
প্রকাশ: রোববার, ১১ জুলাই, ২০২১, ৮:৪১ এএম  আপডেট: ১১.০৭.২০২১ ৮:৫০ এএম  (ভিজিট : ৪৬৪)
২০২০ সালের মার্চ মাসের ১৭ তারিখ থেকে কোভিড-১৯-এর কারণে দেশের প্রায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের নির্দেশে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে হেফজখানা, কওমি মাদ্রাসা এবং বিশেষ কিছু কোচিং সেন্টার প্রশাসনের দৃষ্টি উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন চলেছে। কিছুদিন আগে তা সরকারের দৃষ্টগোচর হওয়ায় কওমি মাদ্রাসা ও কোচিং সেন্টার বন্ধ করা গেলেও হেফজখানা বন্ধ করা যায়নি। সরকার শুরু থেকেই করোনার সংক্রমণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে। তবে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া সচল ও অব্যাহত রাখার জন্য টেলিভিশন প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে বিভিন্ন শ্রেণির কিছু বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার ভিডিও ধারণ ও প্রচার করার ব্যবস্থা করেছে। সংসদ টিভি চ্যানেলটি এসব অনুষ্ঠান প্রচার করে আসছে। সব বিষয়ের সব লেকচারই যে শিক্ষার্থীদের খুব বেশি ধরে রাখতে বা আকর্ষণ করতে পারছে তেমনটি নয়। 

কারণ দূরশিক্ষণের মিডিয়া প্লাটফর্মের মাধ্যমে স্কুল পর্যায়ের শ্রেণিপাঠ দেওয়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ দেশের কোনো পর্যায়ের শিক্ষকেরই নেই, সে ধরনের উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদফতর বা মন্ত্রণালয়ের আগে ছিল না। সে কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর যখন সংসদ টিভি ব্যবহার করে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক লেকচার ভিডিওকরণ ও সম্প্রচার জরুরি হয়ে পড়ে তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছিল সেটি অপেক্ষাকৃত মন্দের ভালো বলে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু উন্নত দুনিয়ায় বহু আগেই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষাব্যবস্থার সব স্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাঠক্রম চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে উন্নত দুনিয়ার দেশগুলো অন্তত দুই দশক আগ থেকেই শ্রেণিপাঠের পাশাপাশি অনলাইন পাঠদানের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। সেই সব দেশের শিক্ষকরা শ্রেণি পাঠকে অনলাইন মাধ্যমে কীভাবে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আকর্ষণীয় করতে হয়, শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ করতে হয়, তাদের নানা ধরনের মূল্যায়ন, অ্যাক্টিভিটিজ, পরীক্ষা, ল্যাব সংক্রান্ত প্রায়োগিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, টিউটোরিয়াল ও নানা ধরনের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা সম্পৃক্ত থাকে। সেসব দেশে এখন এটি একটি স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন মাধ্যম সরাসরি সম্পর্ক বজায় রাখতে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটায় না। শ্রেণিপাঠের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি উন্নত দুনিয়ায় স্বাভাবিক অভ্যস্ততায় পরিণত হয়েছে। 

বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এটি এক-দেড় দশক আগে থেকেই অনেকটাই নিয়মিতভাবে চর্চা করে আসা হচ্ছে। সে কারণে কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার পর উন্নত দেশগুলোতে জনজীবনে বারবার লকডাউন জারি করার পরও শিক্ষাব্যবস্থা খুব একটা লকডাউনের কবলে পড়েনি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যথানিয়মে অনলাইন পদ্ধতিতে তাদের পাঠদান, মূল্যায়ন ও সেমিস্টার পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বাধার সম্মুখীন হয়নি। অনেক উন্নত দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বাংলাদেশের বেশ কিছু শিক্ষার্থী দেশে বসেই তাদের শিক্ষা সেমিস্টার যথাসময়ে সম্পন্ন করতে পারছে। অনেক নতুন শিক্ষার্থী করোনাকালে ওইসব দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে যাচ্ছে। জ্ঞানবিজ্ঞান এখন কতটা উদ্ভাবন থেকে সমৃদ্ধ হচ্ছে সেটি এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ বহন করে। এমনটিই তো হওয়ার কথা। আধুনিক দুনিয়া জ্ঞানবিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্ঞানচর্চায় এভাবে নতুন নতুন মাধ্যম তৈরি করছে, এগিয়ে যাচ্ছে।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে আমরা কোথায় পড়ে আছি? আমাদের অবস্থান, চিন্তাধারা দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বাস ও বোধ শিক্ষা সম্পর্কেই কতটা সেকেলে, পিছিয়ে পড়া, জ্ঞান-বিজ্ঞান বহির্ভূত ধারণায় চলে আসছে সেটি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে আলোচনা সমালোচনা থাকলেও নীতিনির্ধারক এবং শিক্ষিত সমাজও ততটা বিবেচনা করতে চায়নি। ফলে আমরা এগিয়ে যাওয়ার বিপরীতে বহুদিনের পুরনো ব্যবস্থাকে আঁকড়ে ধরে থাকার কারণে আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে রকেট গতিতে পিছিয়ে পড়েছি। তারপরও আমাদের মধ্যে খুব বেশি বোধোদয় হওয়ার লক্ষণ দেখা যায় না। এ নিয়ে আমাদের কোনো পর্যায়েই দুনিয়াটাকে বোঝার চেষ্টা, অভিজ্ঞতা লাভ, জ্ঞানবিজ্ঞানের নতুন নতুন ধারণা ও পদ্ধতি ধারণকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে দেখা যায় না। অথচ সেই উন্নত দুনিয়ায়ই আমাদের অনেক তরুণ-তরুণী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে সেখানকার আধুনিক বহুমাত্রিক শিক্ষার প্লাটফর্ম সহজেই ব্যবহার করার মাধ্যমে নিজেরা উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করছে। এদের একটি বড় অংশ দেশে এগুলোর প্রয়োগে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা না পাওয়ার আশঙ্কা থেকেই ফিরে আসছে না। আবার অনেকে ফিরে আসলেও তারা শিখে আসা পদ্ধতির প্রয়োগ দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নিজেরা করতে উদ্যোগ নিচ্ছে না। 

ফলে বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থায় চলছে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে একটি হ-য-ব-র-ল অবস্থা। অনেকে সামান্য কিছু ধারণা নিয়েই ক্লাসে মাল্টিমিডিয়ার নামে যে পদ্ধতিতে শ্রেণিপাঠ সম্পন্ন করে থাকেন সেটি দৃশ্যত যন্ত্রপ্রযুক্তির সহায়ক এবং নতুনত্বের ছাপকেন্দ্রিক হলেও মাল্টিমিডিয়ার যথাযথ নিয়ম তাতে অনুসৃত না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়ের গভীরতর ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রবেশ করানো যাচ্ছে না। শিক্ষকদের একটি বড় অংশই মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিপাঠে চিন্তার নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। ফলে মাল্টিমিডিয়ার শ্রেণিপাঠটি অনেকটাই আকর্ষণ হারাচ্ছে, শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন জ্ঞানচর্চার বিশ্লেষণী উপায়কে সঙ্কুচিত করে দিচ্ছে। এখান থেকে সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরনের অনিয়ম, কপিকরণ এবং মেধাচর্চার বহুমাত্রিক পদ্ধতির অপব্যবহার। কিছু কিছু উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর প্রয়োগে যত্নবান থাকলেও বৃহত্তর শিক্ষাব্যবস্থায় মাল্টিমিডিয়া, তথ্যপ্রযুক্তি, অনলাইন পদ্ধতি ইত্যাদি আধুনিক শিক্ষা উপকরণ তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। যদিও সরকার গত কয়েক বছর থেকে স্কুল পর্যায়ে মাল্টিমিডিয়া চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে শোনা যায়। কিন্তু প্রশিক্ষিত শিক্ষক, জনবল, প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং সরকারি ধারাবাহিক সহযোগিতা ব্যতীত আধুনিক এই মাধ্যম কিছুতেই এই সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থায় কার্যকর করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তিকে ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে। সেখানে একটি মিডিয়া সেন্টারও করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটির অর্জন কী- এ প্রশ্নের উত্তর আমার কিছুটা জানা থাকলেও দেশের নীতি-নির্ধারকদের কতটা জানা আছে জানি না, জানার চেষ্টা আছে কি না তাও বুঝতে পারি না।

করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সরকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াকে সচল রাখার জন্য সংসদ টিভির মাধ্যমে দূরশিক্ষণ এবং অনলাইন প্লাটফর্মের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংসদ টিভির দূরশিক্ষণটি খুব বেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে পারেনি। তবে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন পাঠদানের নামে গত দেড় বছরে দুধরনের অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছে। কিছু কিছু বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার জন্য অনলাইন পাঠ, মূল্যায়ন ও সেমিস্টার পরীক্ষা অব্যাহত রেখেছে। কেউ কেউ মোটামুটি শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার মতো মান দেওয়ার চেষ্টা করছে, আবার অনেকগুলো এখনও ততটা অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেনি। অনলাইন শ্রেণিপাঠ নিয়ে একটি মূল্যায়ন এখনই জরুরি ছিল। কিন্তু সেটি প্রতিষ্ঠানগুলো করতে কতটা আগ্রহী তা বলা মুশকিল। সরকার এক্ষেত্রে অনলাইন পদ্ধতিতে পাঠদানের দাবিদার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অনলাইন শ্রেণি পাঠ, মূল্যায়ন ও সেমিস্টার পরীক্ষার মান যাচাই, বাছাই ও মূল্যায়নের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করলে এর সাফল্য ও ব্যর্থতার পাশাপাশি করণীয় দিকগুলো চিহ্নিত করা সহজ হতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কিছু বিভাগে অনলাইনভিত্তিক শ্রেণি পাঠ, মূল্যায়ন ও পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে এটি অব্যাহত আছে। তবে প্রাকটিক্যাল ক্লাস ও ল্যাব নিয়ে জটিলতা কাটানো যায়নি বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রেও প্রয়োজন বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি সহযোগিতা প্রদান। 

এর বাইরে বিরাট সংখ্যক স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষাক্রম থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং বেশিরভাগ স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। সেগুলোর বেশিরভাগই শিক্ষাক্রম থেকে দূরে আছে। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুলগুলোকে অ্যাসাইনমেন্ট পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। ধারণাটি মোটেও ফেলে দেওয়ার নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দাবি করা হচ্ছে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমটি শতভাগ না হলে নব্বই ভাগ সুফল দিচ্ছে। শিক্ষা অধিদফতর থেকে অ্যাসাইনমেন্টের বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা তা বই পড়ে লিখে শিক্ষকদের নিকট জমা দিচ্ছে, এর ওপর মূল্যায়ন করা হচ্ছে। যদি বিষয়টি এমনই হতো তাহলে খুশি হতাম, কিন্তু অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়গুলো সাপ্তাহিক ভিত্তিতে পূর্ব থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরবরাহ করার ফলে বাংলাদেশের ‘অনলাইন জগতে’ যে ঘটনাটি ঘটছে তা হলো গুগল এবং ইউটিউব প্লাটফর্মে অসংখ্য কোচিং সেন্টারের মতো অদৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্টগুলোর শ্রেণি, পাঠ ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে বিষয়ের উত্তর ওয়েবসাইটের (যেমন- allresultbd.com, adamissionwar.com, newresultbd.com, Shovon online English school, Time for schol, Ms easy teaching, Talukdar Academy ইত্যাদি) মাধ্যমে যার যার মতো করে দেওয়া হচ্ছে। যে কেউ যেকোনো শ্রেণির যেকোনো বিষয়ের নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়বস্তু পরীক্ষা করে দেখতে পারে। শিক্ষার্থীরা বাড়িতে বসে অনায়াসে যার যার পছন্দের ওয়েবসাইট থেকে তা তুলে নিচ্ছে, জমাও দিচ্ছে। 

তাদের নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে এখানে লেখার প্রয়োজন পড়ে না। শিক্ষকদের দেওয়া অনলাইন লেকচার বেশিরভাগই আকর্ষণীয় হয় না, তারাও তা শোনে না। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কেউ কেউ (শিক্ষক, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী) নানা বিষয়ে ফেসবুকে লিঙ্ক প্রদানের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ক্লাস নেওয়া ও অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে সহায়তা করার একটি অনলাইন ব্যবস্থা চালু করেছেন। এর মাধ্যমে তারা অর্থ উপার্জন করছে, আগ্রহী শিক্ষার্থীরা তাতে যুক্ত হচ্ছে। স্কুল কলেজের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মাসের শুরুতে বেতন পাচ্ছেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে এক প্রকার আছেন! এই হচ্ছে আমাদের বর্তমান শিক্ষার হালচাল।

ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক


Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: