বিটকয়েনে পর্নোগ্রাফি কিনে বিক্রি করত বেশি টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিবিধ

অনলাইনে বিভিন্ন ডার্কসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে বিটকয়েনের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি ক্রয় করত একটি চক্র। পরে বেশি দামে দেশের বিভিন্ন মানুষের কাছে বিক্রি

2021-06-21T04:37:39+00:00
2021-06-21T04:37:39+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬,
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
বিবিধ
বিটকয়েনে পর্নোগ্রাফি কিনে বিক্রি করত বেশি টাকায়
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ৪:৩৭ এএম   (ভিজিট : ২৬৬)
অনলাইনে বিভিন্ন ডার্কসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে বিটকয়েনের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি ক্রয় করত একটি চক্র। পরে বেশি দামে দেশের বিভিন্ন মানুষের কাছে বিক্রি করা হতো এসব নিষিদ্ধ পর্নো। উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের টার্গেট করে বিক্রির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ খুলে চলত প্রচারণা। তাদের গ্রুপে কয়েক হাজার সদস্য রয়েছে। এ কেনাবেচায় ব্যবহার হতো অবৈধ বিটকয়েন। এভাবে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেওয়া হতো প্রায় দেড় কোটির মতো টাকা।

রাজধানীর দারুসসালাম এলাকা থেকে অবৈধ বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় চক্রের অন্যতম হোতা হামিমসহ চার সদস্যকে শনিবার গ্রেফতারের পর এমন তথ্য জানতে পারে র‌্যাব। গ্রেফতার অন্যরা হলেন রাহুল সরকার (২১), সঞ্জিব দে ওরফে তিতাস (২৮) ও সোহেল খান (২০)। রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা ভার্চুয়াল জগতে বা ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে অ্যাকাউন্ট করে ভার্চুয়াল মুদ্রা, ক্রিপ্টো কারেন্সি বা বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে। মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বাংলাদেশি বেশ কিছু অসাধু ডোমেইনহোল্ডার ও ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে অর্থ লেনদেন করে। যুবক-যুবতীদের অবৈধ লেনদেনে প্রলুব্ধ করে অর্থের বিনিময়ে ক্রিপ্টো কারেন্সি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি গ্রুপে বিটকয়েন ব্যবসায় আগ্রহী কয়েক হাজার সদস্য রয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন করার তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, চক্রের অন্যতম হোতা হামিম প্রিন্স খান ২০১৩ সালে ফরিদপুরের একটি কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক পাস করে কম্পিউটারের ওপর দক্ষতা লাভ করে নিজেই প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছিলেন। পরে ক্রিপ্টো কারেন্সির ওপর দক্ষতা লাভ করে প্রায় ৫০-এর বেশি বিটকয়েন লেনদেন প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বিটকয়েন ছাড়াও তিনি লিটকয়েন, ডগকয়েন, ইথারিয়াম, ব্রাস্ট, ন্যানো ইত্যাদি লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। হামিম মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং কানাডাসহ উন্নত বিশে^র অন্যান্য দেশে এ কার্যক্রম চালিয়ে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে অন্যের ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করে বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় করতেন। ভার্চুয়াল জগতে তার ১৫-১৬টি ওয়ালেট রয়েছে।

এ ছাড়া গ্রেফতার রাহুল সরকার একটি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে অধ্যয়নরত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। পরে হামিমের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০২০ সালের শেষের দিকে তিনি বিটকয়েন লেনদেনের সঙ্গে জড়িত হন। গ্রেফতার সঞ্জিব দে ওরফে তিতাস ফরিদপুরের স্থানীয় একটি কলেজে অধ্যয়নরত। এ ছাড়া গ্রেফতার সোহেল খান একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার। তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

/এমএইচ/



Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: