চট্টগ্রামে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২ জন নগরের বাসিন্দা, বাকি ৬ জন বিভিন্ন উপজেলার। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে মহানগরের ৬৬৭ জন আর বাকি ৫১১ জন বিভিন্ন উপজেলার।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৯৮ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরেরই ১৫৩ জন। বাকি ১৪৫ জন বিভিন্ন উপজেলার। ফলে জেলায় করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ৯৭ হাজার ১৩৩ জন। যার মধ্যে মহানগরের ৭১ হাজার ৪ জন আর বাকি ২৬ হাজার ১২৯ জন বিভিন্ন উপজেলার।
বোরবার (২২ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবের এন্টিজেন টেস্টসহ দশটি ও কক্সবাজারের একটি ল্যাবে ১ হাজার ৯৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৯৮ দেহে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬১ জন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৭৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৩ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ২২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪২ জন, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও এনিম্যাল সাইন্সস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৭ জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে।
এছাড়া বেসরকারি শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ২৪০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৮ জন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ২৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জন, জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরি (আরটিআরএল) ল্যাবে ১৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫ জন, ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬ জন, এন্টিজেন টেস্টে ১৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৩ জনের দেহে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে। এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ১ জনের নমুনা পরীক্ষায় কারও শরীরে করোনারভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয় নি।
এদিন চট্টগ্রামের বেসরকারি ল্যাবগুলোর মধ্যে ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়নি। তাছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে এন্টিজেন টেস্ট এ ২৩ জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে। মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৬ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এদিন শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৮ জনের পজিটিভ আসে। এছাড়া, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৭ জন এবং ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ০৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ।
১৪ উপজেলায় পর্যায়ে যারা আক্রান্ত হয়েছেন এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাঙ্গুনিয়ায়। সেখানে ৩০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া হাটহাজারীতে ২৬ জন, রাউজানে ২৩ জন, বোয়ালখালীতে ২২ জন, ফটিকছড়িতে ১৪ জন, আনোয়ারায় ৮ জন, মিরসরাইয়ে ৫ জন, সীতাকুণ্ড ও লোহাগাড়ায় ৪ জন করে, সন্দ্বীপ ও সাতকানিয়ায় ৩ জন করে, পটিয়ায় ২ জন এবং বাঁশখালীতে ১ জন করোনা শনাক্ত হয়। এদিন চন্দনাইশে কোন করোনা রোগী পাওয়া যায়নি।