শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানকালে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়ার পর বকুল মিয়া নামে এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। এতে ধূম্র্রজাল সৃষ্টি হয়েছে মৃত্যুটি ঘিরে। মৃতের পরিবার অবশ্য বলছে, আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন বকুল মিয়া।
বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ঝাঙ্গালিয়াকান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঝাঙ্গালিয়াকান্দা গ্রামের রমেজের বাড়িতে গাঁজা বিক্রি চলে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে রমেজের বাড়ি থেকে বের হয়ে আসা একই গ্রামের বকুল মিয়া ও জিন্নত আলীকে সন্দেহ হয় তাদের। পরে জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে মৃত পুলিশ সদস্যের ছেলে বলে পরিচয় দিলে বকুল মিয়া ও তার সঙ্গীকে ছেড়ে দেয় পুলিশ সদস্যরা। রমেজের বাড়িতে গিয়ে কোনো আলামত না পেয়ে ফিরে আসে তারা। এর কিছুক্ষণ পর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ওই রাস্তায় বকুলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে বকুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে বকুলের এ মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর মর্গে পাঠানো হয় বৃহস্পতিবার। নালিতাবাড়ী থানায় ঘটনা তদন্তে আসেন শেরপুরের পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম ও সহকারী পুলিশ সুপার নালিতাবাড়ী সার্কেল দিদারুল ইসলাম।
মৃতের পরিবারের লোকজন জানায়, বকুল আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। রমেজ উদ্দিন বকুলের মামা। বকুল তার মামা রমেজকে পাকা ধান কেটে দেওয়ার পারিশ্রমিক দিতে ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে সবার অজান্তে মারা যান তিনি। তবে কী কারণে মারা গেছেন তা তারা জানতে পারেননি।
সময়ের আলো/আরএস/