বিয়ের চার মাসের মাথায় গলায় ফাঁস দিয়ে জেনিফা আক্তার রিয়া (৩০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে মিরসরাই থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আমানটোলা এলাকার কোরবান আলী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। সে ওই বাড়ির আবু হাসনাত সবুজের স্ত্রী।
মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আলমগীর হোসেন বলেন, প্রায় চার মাস আগে আমার ওয়ার্ডের আবু হাসনাত সবুজের সঙ্গে হাইতকান্দি ইউনিয়নের মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের মেয়ে জেনিফা আক্তার রিয়ার আকদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেই পারিবারিকভাবে অনুষ্ঠান করে স্বামীর বাড়িতে আনা হয়।
সর্বশেষ গত এক সপ্তাহ আগে জেনিফা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে তার বাবা মেয়েকে স্বামীর বাড়িতে দিয়ে যায়। রাতে শ্বশুর-শাশুড়ি সবাই মেলে রাতের খাবার খেয়ে যে যার মতো করে ঘুমাতে যায়। পরে আজ সকালে পুত্রবধূকে নাস্তা করার জন্য ডাকাডাকি করলেও দরজা খুলতেছেনা দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে মেয়ের বাবা-মাকে খবর দিলে তারা এসে রুমের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে গিয়ে দেখে জেনিফার ঘরের ভিতরে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ঝুলন্ত অবস্থা তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মিরসরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল বাতেন বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে ঝুলন্ত অবস্থায় জেনিফা আক্তার রিয়ার (৩০) লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে শেষ রাতের দিকে সে আত্মহত্যা করেছে। এসময় নিজের মা-বাবাকে উদ্দেশ্য করে লিখা ‘তোমরা আমাকে বাঁচতে দিলেনা’ নিজের মোবাইলে একটি মেসেজ পেয়েছি, জানান তিনি।
সময়ের আলো/আরআই