বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত হচ্ছে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে। সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে বৃষ্টির তীব্রতা ও বাতাসের গতি।
এরই মধ্যে মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহওয়া অফিস। বন্ধ রয়েছে মোংলা বন্দরের পণ্য ওঠানোর কাজসহ সকল কার্যক্রম। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে মোংলা আবহওয়া অফিস।
সমুদ্র উত্তাল থাকায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছধরা ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে সুন্দরবনের দুবলায় জেলে পল্লীতে। এছাড়া বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী তীরবর্তী এলাকার লোকজনদের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় ২ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. খালিদ হোসেন।
তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র আঘাত মোকাবিলায় জেলায় নগদ ৯ লাখ টাকা, ৬৫০ মেট্রিকটন চাল ও ৩৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত রয়েছে। এক হাজার ৯২০ জন সিপিবি এবং রেডক্রিসেন্ট সদস্য ও বিএনসিসিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আরও ৫০০ জন সদস্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন এনজিও সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। দুর্ভোগে রয়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। টানা বৃষ্টিপাতে বিপাকে পরেছেন তারা।
সময়ের আলো/আরআই