বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এড. মো. মাহবুব আলীর স্ত্রীর পাঁচ বছরে ১৫ গুন সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবী করেছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, তার সাথে এই সময়ে যারা ছিল তারাও কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তিনি কোর্টে কোন প্র্যাকটিস করতে পারেন নাই, নিজস্ব কোন আয়ের উৎস না থাকার পরও কিভাবে তিনি এত সম্পদের মালিক হলেন তা আমি জাতির কাছে জানতে চাই। তিনি বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা বলেন।
এসময় সুমন বলেন, একজন মন্ত্রী এমপি মানুষের সেবা করবে। মানুষের সেবা করা অবস্থায় কিভাবে এত সম্পদ বাড়ল সেটাই এখন কৌতূহলের বিষয়। যদি নিজের সম্পদ বাড়ে তাহলে বুঝতে হবে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় নাই।
তিনি বলেন, অন্য যেকোনো প্রার্থীর তুলনায় আমার নির্বাচন করাটা অনেক কঠিন। আমি একটি পূর্ণ সেটআপের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। কারণ বর্তমানে তিনি একাধারে এমপি ও মন্ত্রী। চুনারুঘাট মাধবপুর উপজেলায় প্রশাসনের সর্বক্ষেত্রে তিনি পরিপূর্ণ সেটআপ করে রেখেছেন। তাই আমি একা ওয়ানম্যান শো'র মত পুরো একটা সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছি। আমার কাছে কোন সিস্টেম নাই, আমার আছে এলাকার মানুষের ভালবাসা।
তিনি আবারো জোর দিয়ে বলেন, এটা শুধু একটা নির্বাচন না, এটা চুনারুঘাট মাধবপুর উপজেলা বদলে দেয়ার নির্বাচন। এটা তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের নির্বাচন। আমি কখনো কাউকে স্বপ্ন দেখিয়ে পালিয়ে যাই নাই, ভবিষ্যতেও যাবনা।
প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত মুখ ব্যারিস্টার সুমন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হবিগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
সময়ের আলো/আরআই