ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এম মনিরুজ্জামান মনির। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলে ১ শতাংশ ভোটারদের তথ্যের বিষয়ে প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার ফারাহ্ গুল নিঝুম। ইসিতে আপিল আবেদন করলে মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন মনির। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র।
এদিকে ঝালকাঠি-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনিরুজ্জামান মনির প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীরউত্তমের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। জমবে এবার ভোটের মাঠও।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ৩ ডিসেম্বর সকালে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে বাদ পড়েন বর্তমান এমপি বজলুল হক হারুন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১ শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরে গড় মিলের অভিযোগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এম মনিরুজ্জামান মনিরসহ ৬ জনের।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনিরুজ্জামান মনির আপিল করেন ইসিতে। আপিলের তৃতীয়দিন শুনানিতে প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।
খবরটি রাজাপুর-কাঠালিয়া এলাকার জনতার মাঝে ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী এলাকায় উৎসবের আমেজ শুরু হয়। শুরু হচ্ছে নানান জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন। তবে সবারই মন্তব্য এবার নির্বাচন জমবে। একজন সাবসেক্টর কমান্ডার আরেকজন মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম। স্বাধীনতা স্বপক্ষের দু'ব্যক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উৎসবমুখর ভোট অনুষ্ঠিত হবে রাজাপুর-কাঠালিয়ায়।
এম মনিরুজ্জামান মনির জানান, আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। নেত্রী যেটা ভালো মনে করছেন সেটাই করছেন। তবুও তিনি সারাদেশে চেয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন। তাই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সাবমিট করেছিলাম। জেলা রিটার্নিং অফিসার নগণ্য কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করেন। এতে রাজাপুর-কাঠালিয়াবাসী আশাহত হন। জনসাধারণের মুখের দিকে চেয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সিইসি'র কাছে আপিল করেছি। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন তিনি।
সময়ের আলো/আরআই