২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতর, পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের ১৫তম শাহাদত বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়েছে।
দিনটি উপলক্ষে রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে শহিদদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শাহাদত বরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, বিপি, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি। আর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ, এসজিপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল; সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি; নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, ওএসপি, এনপিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি; বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, বিবিপি, বিইউপি, এনএসডব্লিউসি, এফএডব্লিউসি, পিএসসি; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এর পক্ষে অতিরিক্তি সচিব মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার; বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল এবং শহিদ পরিবারের সদস্যগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং কর্মরত সামরিক সদস্যগণ স্যালুট প্রদান করেন। পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যগণ, শহিদ পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়গণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও এদিন সকল সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকল স্তরের সেনাসদস্যগণের উপস্থিতিতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সময়ের আলো/জিকে