সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটি হয় ২০১৩ সালের ৮ মে। সাত সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। এরপর মেয়াদ উত্তীর্ণের দুই বছর পর ২০১৬ সালের ৮ মে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন তৎকালীন সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। ২০২১ সালের ১৭ জুন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য শাবি ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
২০১৩ সালের একবছরের কমিটির পর থেকে ২০২৪ পর্যন্ত শাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নতুন কমিটির মুখ না দেখলেও, দেখেছে কেবল কর্মীসভা। আগামী ১৯ মার্চ তৃতীয়বারের মতো কর্মীসভার ডাক দেওয়া হয়েছে শাবিপ্রবিতে।
বুধবার (১৩ মার্চ) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১৯ মার্চ ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হবে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে ২০১৭ সালের ১০ অক্টোবর শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের পূর্বঘোষিত সম্মেলন না করে কর্মীসভা করা হয়। ওই কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের তৎকালীন প্রচার সম্পাদক মো. সাইফ উদ্দিন বাবু। শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, সাবেক সদস্য সাজিদুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন শাবি ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. রুহুল আমিন।
এর দুইবছর পর ২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর শাবিপ্রবিতে দ্বিতীয়বারের মতোন আয়োজিত কর্মী সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন দেয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। শাবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের সঞ্চালনায় এবং সাবেক সভাপতি রুহুল আমিনের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতিত্বে ওই কর্মী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, আহসান আরিফ বাপ্পি, শাহরিয়ার কবির চৌধুরী বিদ্যুৎ, উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক সালেকুর রহমান শাকিলসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।
সময়ের আলো/আরআই