ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের আশেকপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকাল থেকেই যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে থাকে। এর আগে, সোমবার রাত থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর একাধিক গাড়ি বিকল হওয়া ও ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে ওই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ প্রচণ্ড বেড়ে যায়।
বাসচালক আলী সরদার বলেন, ঢাকা থেকে গতকাল বগুড়া গিয়েছি কোনো যানজটের মুখে পড়তে হয়নি। তবে আজ ভোরে ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছি পুংলী পর্যন্ত যানজট ছাড়া এসেছি। কিন্তু পুংলী থেকে দেখি যানজট শুরু হয়েছে। কতক্ষণ বসে থাকতে হবে জানি না। এতে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। আমরাও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছি।
বাসযাত্রী আমেনা খাতুন বলেন, ঢাকা থেকে স্বামীকে নিয়ে ভোরে রওনা দিয়েছি বগুড়া যাব। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের আশেকপুর পর্যন্ত যানজট ছাড়া এসেছি। আশেকপুরের পর থেকে গাড়ির ধীর গতি ছিল পুংলী পর্যন্ত। পুংলীতেই বসে আছি ১০ মিনিট ধরে। আরও কতক্ষণ বসে থাকতে হবে জানি না।
বঙ্গবন্ধু সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল পাভেল জানান, সোমবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৯টার পর সেতুর ওপরে ১১টি গাড়ি বিকল হয়। গাড়িগুলো তাৎক্ষণিক অপসারণ করাতে কিছুটা সময় লাগে। সেই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ হাজার ৪২৭টি গাড়ি পার হয়। এতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মো. সাজেদুর রহমান বলেন, সেতুসড়কে যানবাহনের চাপ থাকায় ধীরগতিতে চলাচল করেছে গাড়ি। যানজট নিরসনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাসড়ক স্বাভাবিক হবে।
সময়ের আলো/এএ/