সার্বজনীন পেনশন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শেকৃবিতে মানববন্ধন

সময়ের আলো ডেস্ক

শিক্ষা

অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল এবং স্বতন্ত্র সুপারগ্রেড প্রবর্তনের দাবিতে

2024-05-26T18:31:22+00:00
2024-05-26T18:31:22+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
শিক্ষা
সার্বজনীন পেনশন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শেকৃবিতে মানববন্ধন
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৬ মে, ২০২৪, ৬:৩১ পিএম 
সার্বজনীন পেনশন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শেকৃবিতে মানববন্ধন
অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল এবং স্বতন্ত্র সুপারগ্রেড প্রবর্তনের দাবিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) মানববন্ধন পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। 

রোববার (২৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে এ মানববন্ধন পালন করা হয়।

গত ১৩ই মার্চ ২০২৪ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বর্তমান পেনশন ব্যবস্থা থেকে বের করে সার্বজনীন পেনশন স্কিম এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২৪ সালের পহেলা জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে যারা যোগদান করবেন তাদের বাধ্যতামূলকভাবে সার্বজনীন পেনশনের সর্বশেষ স্কিমের আওতাভুক্ত করতে হবে। ফলে আগামী ১ জুলাই এবং তৎপরবর্তীতে নিয়োগপ্রাপ্ত সকলেই এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হবেন। এই স্কিমে বর্তমান ব্যবস্থার মতো অবসরের পর এককালীন অর্থ পাওয়া যাবে না।

মানববন্ধনে সার্বজনীন পেনশন স্কিমকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র বেতনকাঠামো প্রণয়নের দাবি জানানো হয়। দাবি আদায়ে শিক্ষক ফেডারেশনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে সকল কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা চক্রান্ত করে মেরুদন্ড ভেংগে দিতে চাইছে। এ বারই প্রথম নয়, এর আগেও বিভিন্ন চক্রান্ত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যারা ঘিরে রাখেন তারা তাকে ভুল বুঝিয়েছেন৷ আবারো এই চক্রান্ত চলছে। আমরা বৈষম্যের শিকার। যতদিন দাবি পূরণ না হবে ততদিন শিক্ষক ফেডারেশনের কার্যক্রমের সাথে আছি আমরা। 

শেকৃবির সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল হক বেগ বলেন, আমরা এর আগেও স্বতন্ত্র পে স্কেলের আবেদন করেছি যা কার্যকর হয়নি। আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির বয়সসীমা ৬৫। এই স্কীমের অধীনে আসলে তা আবার ৬০ হয়ে যাবে কিনা। আবার এখানে বলা হয়েছে, ৭৫ বছরের বেশি বয়স্ক হলে টাকা পাবে না। কিন্তু এখন তো গড় আয়ু বেড়েছে। মানুষ আরো বেশি বাঁচে। তাহলে সে ক্ষেত্রে কি হবে৷ এখন শিক্ষকরা কি নিজেদের একাডেমিক মান উন্নয়ন করবে নাকি তাদের বেঁচে থাকার লড়াই করবে। তাহলে দেখা যাবে, মেধাবীরা আর শিক্ষকতায় আসবে না। দেশের বাইরে চলে যাবে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলা মেধাহীন হয়ে পড়বে। 

শেকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.মো. মিজানুর রহমান বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বজনীন পেনশন স্কিম চালু হলে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহ হারাবেন। এখানে শিক্ষকেরা পদোন্নতি পান নতুন একটি নিয়োগের মাধ্যমে। ফলে দেখা যাবে, পদোন্নতি পাওয়ার পর বর্তমান শিক্ষকেরাও সার্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় পড়বেন। তাই অনতিবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক স্কিমের আওতা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মুক্ত রাখতে হবে।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাবেক উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.সেকেন্দার আলী, পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও অনেকে।

সময়ের আলো/জিকে


Loading...
Loading...
শিক্ষা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: