রিমালের তাণ্ডব শেষ হলেও এখনও এর প্রভাব রয়ে গেছে। উপকূলের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল এ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ইতিমধ্যে একাধিক জেলার ১১ জনের প্রাণ গেছে। পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্নের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজার মোবাইল টাওয়ার বর্তমানে বন্ধ।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানিয়েছেন, ১৯ জেলায় ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৫০ হাজার ৪৭৫ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিগগিরই রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক, যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, যেন সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ সহায়তা পায়।
আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক সোমবার (২৭ মে) রাতে জানান, দেশের ১৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে সোমবার রাত ১টার মধ্যে ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থার সূত্র অনুযায়ী, রিমাল এখন শক্তি হারিয়ে দুর্বল হয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালের মধ্যে দুর্বল রিমাল স্থলভাগের দিকে অতিক্রম করবে। তবে এরপরও রিমালের প্রভাব থাকতে পারে।
এদিকে রিমালের কারণে সৃষ্ট ঘন মেঘের চাদরে ঢেকে আছে পুরো দেশ। ফলে বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দেশের সব বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ১০ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে সোমবার ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয় সমুদ্রবন্দরগুলোকে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রিমাল ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী সোমবার রাতে যশোর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছিল রিমাল। এর ফলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশিরভাগ জায়গায় দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবার কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিনে ও রাতে তাপমাত্রা ২ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া সংস্থা সূত্র জানিয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল সর্বোচ্চ ১১১ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হেনেছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ১২৫ মিলিমিটার।
সময়ের আলোর একাধিক প্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার উপকূলবাসীর নির্ঘুম রাত কেটেছে। যা তাদের জন্য এক ভয়াবহ স্মৃতি হয়ে থাকবে। বাগেরহাটের উপকূলীয় উপজেলা মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, মোংলা ও রামপালে যে তাণ্ডব রিমাল চালিয়েছে তা এলাকাবাসীর মনে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের দক্ষিণাঞ্চলের সব নদীর পানি এখন বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানিও বিপদসীমার সমান্তরাল ও কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মোংলা থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি স্থানে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। তাদের অনেকেরই এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। নেই খাবার ও বিশুদ্ধ পানি।
সময়ের আলোর প্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় রিমালের তাণ্ডবে উপড়ে পড়েছে শতবর্ষী বটগাছ। রোববার রাত ২টায় এ বটগাছটি গোড়া থেকে সম্পূর্ণ উপড়ে সড়কের ওপর পড়ে। হাতিয়ায় অসংখ্য মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সোমবার হাতিয়া জেলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে অবহিত করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর কাছে এক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বৃহত্তর নোয়াখালীর একমাত্র দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় রিমালের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কক্সবাজারে রিমালের দুর্যোগ কাটলেও অব্যাহত রয়েছে ভারী বর্ষণ।
রিমালের কারণে বৃষ্টি বাড়লেও বন্ধ ঘোষিত সব নৌযান চলাচল শুরু হয়নি এখনও। তবে ১৭ ঘণ্টার পর শাহ আমানত বিমানবন্দর চালু হয়েছে। খুলে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। রিমালের পরিস্থিতিতে ১৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম শহর পানিতে ডুবে গেছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে সবশেষ তথ্য অনুযায়ী জেটিতে কোনো জাহাজ ভিড়তে পারেনি। বন্ধ রয়েছে পণ্য খালাসের কাজ। কক্সবাজারের বেশিরভাগ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। শুধু তাই নয়, এখানে জোয়ারের পানিতে অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অনেকের আশঙ্কা বেড়িবাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানিতে জনপদ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রিমালের আঘাতে ১৯ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন: প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে দেশের উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা ও চট্টগ্রামে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ১৯ জেলায় ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১ লাখ ৫০ হাজার ৪৭৫ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান।
সোমবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে অনেক এলাকা প্লাবিত হয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গত কয়েক দিন ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ দয়ায় আমরা সফলভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।
তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রত্যেক মন্ত্রণালয় থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে অতিদ্রুত তাদের সহায়তা দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রিমালের আঘাতে খুলনায় একজন, সাতক্ষীরায় একজন, বরিশালে তিনজন, পটুয়াখালীতে একজন, ভোলায় তিনজন ও চট্টগ্রামে ২ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ঘর, গাছ ও দেয়াল চাপা এবং পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের ছয় জেলায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- খুলনার লাল চাঁদ মোড়ল (৩৬), সাতক্ষীরার শওকত মোড়ল (৬৫), বরিশালের জালাল সিকদার (৫৫), মোকলেছ (২৮) ও লোকমান হোসেন (৫৮), পটুয়াখালীর শহীদ (২৭), ভোলার জাহাঙ্গীর (৫০), মাইশা (৪) ও মনেজা খাতুন (৫৪) এবং চট্টগ্রামের সাইফুল ইসলাম হৃদয় (২৬)। ঝড়ে মোট ১৯টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলাগুলো হচ্ছে- খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ফেনী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর ও যশোর। এছাড়া চট্টগ্রামে খাল থেকে মনসুর আলম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মো. মহিববুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার সংখ্যা ১০৭ এবং ইউনিয়ন ও পৌরসভার সংখ্যা ৯১৪। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৮৩টি ঘরবাড়ি এবং আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘরবাড়ি। ঘূর্ণিঝড় সতর্কবার্তার পরিপ্রেক্ষিতে উপকূলীয় এলাকাসমূহে ৯ হাজার ৪২৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্র ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮ লাখের বেশি লোক আশ্রয় নিয়েছে। গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়াসহ আশ্রিত পশুর সংখ্যা ৫২ হাজার ১৪৬টি। দুর্গত লোকজনকে চিকিৎসাসেবা দিতে মোট ১ হাজার ৪৭১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে, এর মধ্যে চালু আছে ১ হাজার ৪০০ টিম। দুর্যোগকবলিত মানুষের সাহায্যে সরকার ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অনুকূলে ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জেলায় জিআর (ক্যাশ) ৩ কোটি ৮৫ লাখ নগদ টাকা, ৫ হাজার ৫০০ টন চাল, ৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশুখাদ্য ক্রয়ের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ, গো-খাদ্য ক্রয়ের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ঘূর্ণিঝড় রিমাল বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় আঘাত হানে, যার প্রভাব দেশের বিস্তৃর্ণ এলাকায় সোমবারও অব্যাহত রয়েছে। রিমালের কারণে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে পানি ঢুকে মানুষের স্বাভাবিক জনজীবনকে ব্যাহত করেছে। বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশব্যাপী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে পূর্বাভাস দিয়েছে এবং আগাম কার্যাবলি (অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন) ও সাড়া প্রদানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করেছে। আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্রের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস মডেল নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সময়োপযোগী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘূর্ণিঝড়টি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এনডিআরসিসি ২৪ ঘণ্টা খোলা রয়েছে। সকাল থেকেই ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে উপকূলীয় জেলাসমূহের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ফোন কলে কথা বলে স্থানীয় মানুষের খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
দুর্যোগ মোকাবিলা একটি সমন্বিত কার্যক্রম জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা, এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সব সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসন, বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিপিপিসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় আমরা এ দুর্যোগ কার্যক্রম মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।
সময়ের আলো/জিকে