সার্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, সুপার গ্রেড প্রদান ও স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষকরা।
রোববার (২ জুন) যবিপ্রবির স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের নিচে অবস্থান করে এ কর্মবিরতি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দু-ঘণ্টার এই কর্মবিরতি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, পেনশন সংক্রান্ত যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে তাতে শিক্ষকদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ পেনশন ব্যবস্থা দেশ ও জাতিকে মেধা শূন্য করার একটি গভীর চক্রান্ত। আমরা দ্রুত এর সমাধান চায়। মুষ্টিমেয় সুবিধাবাদী সরকারি কিছু আমলার চক্রান্তে এমন বৈষম্যমূলক পেনশন ব্যবস্থা চালু হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। অতিদ্রুত এ সর্বজনীন পেনশন বাতিল চেয়ে শিক্ষকরা বলেন, কাজের স্পৃহা তখনই আসে যখন কর্মক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকার আদায় হয়। বর্তমানে যে সার্বজনীন পেনশন সিস্টেম চালু হয়েছে এতে করে অনেকে কাজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে। মেধাবীরা শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় আসতে চাইবে না। এতে করে দেশ মেধা শূন্য হয়ে যাবে।
শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এমন একটি বৈষম্যমূলক পেনশন সিস্টেম আজকে শিক্ষকদের আন্দোলনের নামিয়েছে যা খুবই লজ্জাজনক এবং একই সাথে দুঃখজনক। আমরা এখন যে পরিসরে আন্দোলন করছি তা অতি শীঘ্রই সারা দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ একই সাথে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই আমরা চায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সমীচীন সমাধান করবেন।
এছাড়াও অনতিবিলম্বে বৈষম্যমূলক সার্বজনীন এ পেনশন ব্যবস্থা বাতিল করা না হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
সময়ের আলো/আরআই