অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরির নামে ২০ কোটি টাকা ব্যয়

রফিকুল ইসলাম সবুজ

জাতীয়

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) কেনাকাটা, গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহার, মেরামত এবং প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক

2024-07-14T01:26:54+00:00
2024-07-14T01:26:54+00:00
 
  বুধবার, ১০ জুন ২০২৬,
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
জাতীয়
অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরির নামে ২০ কোটি টাকা ব্যয়
কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে হরিলুট
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: রোববার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ১:২৬ এএম   (ভিজিট : ১০১২)
অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরির নামে ২০ কোটি টাকা ব্যয়
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) কেনাকাটা, গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহার, মেরামত এবং প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির কমপ্লায়েন্স নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দুই বছরে এ খাতে ২৯ কোটি টাকার অনিয়ম ধরা পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০০ স্থায়ী শ্রমিক থাকার পরও গবেষণার জন্য আবাদি জমিতে প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা হয়েছে ২০ কোটি টাকারও বেশি। এ ছাড়া রিকুইজিশন ছাড়া এবং ভান্ডার রক্ষক ও গ্রহণকারীর স্বাক্ষর ছাড়াই একই দিনে মজুদ বইতে মালামাল গ্রহণ ও বিতরণ দেখিয়ে লোপাট করা হয়েছে ৪২ লাখ টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুরের প্রধান কার্যালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদি জমিতে প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অস্থায়ী শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করায় প্রতিষ্ঠানের ১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া আগের অর্থবছরে (২০১৯-২০) অতিরিক্ত সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ দেখিয়ে মজুরি পরিশোধ করায় ক্ষতি হয়েছে ৯ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগের নামে এ টাকার একটা বড় অংশই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন। এ কারণেই বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৯৫৭ জন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ দেখানো হয়েছে ৩৬০ দিন। শুধু তাই নয়, করোনা মহামারির সময়ে ২০২০ সালে প্রায় চার মাস লকডাউন চলাকালেও অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ দেখিয়ে তাদের মজুরি বাবদ অর্থ পরিশোধের নামে লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। লকডাউনের সময় অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগের নামে অর্থ লুটপাটের বিষয়টি খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিস্তারিত নিরীক্ষায় বিল-ভাউচার, ক্যাশ বই, খামার বিভাগের সরবরাহ করা শ্রমিক এবং শ্রমিক ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল পর্যালোচনায় দেখা যায়, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়মিত শ্রমিকের সংখ্যা ৩৭৫ জন ও অনিয়মিত শ্রমিকের সংখ্যা ৫৯০ জন এবং গবেষণার জন্য আবাদি জমির পরিমাণ ১০০ হেক্টর, অন্যান্য আবাদি জমির পরিমাণ ২০ হেক্টর এবং চাষাবাদের বাইরে নিয়োজিত জমির পরিমাণ ৪৫ হেক্টর। বারির প্রণীত শ্রমিক ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়ালের ২-এর ‘ক’ উপধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ শ্রমিকের সংখ্যা হবে ৩৭৫ জন। তাই অনিয়মিত বা মৌসুমি শ্রমিক নিয়োগের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ৩৭৫ জন সর্বোচ্চ সংখ্যক নিয়মিত শ্রমিক থাকা সত্ত্বেও অনিয়মিতভাবে ৫৯০ জন অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রতিজন শ্রমিককে ৪৫০ টাকা হারে প্রতি মাসে ৩০ দিন হাজিরা হিসেবে ১২ মাসে মোট ৯ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে।

এ ছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরের শ্রমিকদের তালিকা অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয়ে ৩৯৩ জন নিয়মিত ও ৫৬৪ জন অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ৯৫৭ জন শ্রমিক। শ্রমিক ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল অনুযায়ী আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ১০০ হেক্টর এবং গবেষণা কাজ পরিচালনায় প্রতি হেক্টর জমির জন্য দুজন শ্রমিক বরাদ্দ। এই বছরে ৩৯৩ জন নিয়মিত শ্রমিককে দিনে ৬০০ টাকা হারে পরিশোধ করা হয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। এ ছাড়া ৫৬৪ জন অনিয়মিত বা অস্থায়ী শ্রমিককে পরিশোধ করা হয় ১১ কোটি ১৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা। অর্থাৎ নিয়মিত ও অনিয়মিত মোট ৯৫৭ জন শ্রমিককে মোট পরিশোধ করা হয় ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ইনস্টিটিউটে নিয়মিত ৩৯৩ জন শ্রমিক থাকার পরও ৫৬৪ জন অস্থায়ী শ্রমিককে পরিশোধের নামে ১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যা সরকারের আর্থিক ক্ষতি।

এ ছাড়া অস্থায়ী শ্রমিকদের বছরে ৩৬০ দিন হিসাবে মজুরি পরিশোধের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের দফতরের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. এসএম কামরুজ্জামান সময়ের আলোকে বলেন, বারির প্রায় ৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমি রয়েছে এবং প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ শ্রমিক কাজ করেন। কাজের পরিমাণ অনেক বেড়েছে বলেই বাড়তি শ্রমিকের প্রয়োজন পড়ছে। অডিট আপত্তির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জবাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে নিরীক্ষা বিভাগকে লিখিতভাবে জানানো হয়, ইনস্টিটিউটের ১৯৯০ সালের শ্রমিক নীতিমালা অনুযায়ী শ্রমিকের সংস্থান যা ছিল, তা বেড়ে ২ হাজার ৪১৮ জনে উন্নীত হয়েছে। গবেষণার কলেবর বাড়লেও সেভাবে জনবলের সংস্থান বাড়েনি। আধুনিক মানের কিছু ল্যাবরেটরি অ্যারোপানিক্স, হাইড্রোপানিক্স, মলিকুলার টক্সিকোলজি ও টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। এসব ল্যাবরেটরি পরিচালনার জন্য ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান এবং পাশাপাশি কৃষি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া শ্রমিকের বিরাট অংশ ইলেকট্রিশিয়ান, ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট, পাহারাদার, রুম অ্যাটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অফিস সহায়ক ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত আছে। বর্তমানে বারির অনুমোদিত শ্রমিক সংখ্যা ২ হাজার ৪১৮ জন। শ্রমিক নীতিমালা ১৯৯০-এর সংস্থান অনুযায়ী, আপত্তি করা শ্রমিকদের হেক্টরপ্রতি বরাদ্দ নতুন শ্রমিক নীতিমালায় এখনও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে ওই অতিরিক্ত শ্রমিক হিসাব অডিট আপত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এ জবাব আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য সহায়ক নয় মন্তব্য করে নিরীক্ষা বিভাগ বলছে শ্রমিক ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল, ১৯৯০ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট করা হেক্টরপ্রতি শ্রমিক সংখ্যা প্রতিপালন না করায় শ্রমিক মজুরি বাবদ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তাই দায়দায়িত্ব নির্ধারণপূর্বক আপত্তি করা অর্থ আদায় করা আবশ্যক।

অন্যদিকে বারির খামার বিভাগ এবং ‘বাংলাদেশে অর্কিড, ক্যাকটাস-সাকুরেন্ট ও বাল্ব-করম জাতীয় ফুলের জাত উন্নয়ন, সংগ্রহোত্তর ও মূল্য সংযোজন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিস্তার কর্মসূচি’ ২০২০-২১ রিকুইজিশন ছাড়াই এবং ভান্ডার রক্ষক ও গ্রহণকারীর স্বাক্ষর ছাড়া একই দিনে মজুদ বইয়ে মালামাল গ্রহণ ও বিতরণ দেখিয়ে ব্যয় করেছে ৪২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। নিরীক্ষায় মজুদ বই পর্যালোচনায় দেখা যায়, খামার বিভাগের মজুদ বই নম্বর-০৮-এ ভান্ডার রক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছাড়াই ইউরিয়া, টিএসপি, জিপসাম, এমওপি ও জিঙ্ক সারের মজুদ দেখানো হয়েছে। আবার ভান্ডার রক্ষক, মালামাল গ্রহণকারী ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছাড়া সার ইস্যুও দেখানো হয়েছে। ফলে মালামাল এখনও কেনা হয়েছে কি না সেটি অস্পষ্ট। এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ ওই মালামাল ক্রয়ের বিপরীতে কোনো প্রকার চাহিদাপত্র নিরীক্ষা দলের কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে প্রতি কেজি ১৬ টাকা দরে ৩ হাজার ৪৪৫ কেজি ইউরিয়া সারের মূল্য ৫৫ হাজার ১২০ টাকা, প্রতি কেজি ২২ টাকা দরে ২ হাজার ৯৮০ কেজি টিএসপি সারের মূল্য ৬৫ হাজার ৫৬০ টাকা, প্রতি কেজি ১৬ টাকা দরে ২ হাজার ৮০০ কেজি এমওপি সারের মূল্য ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা, প্রতি কেজি ১৪ টাকা দরে ১ হাজার ৬১৫ কেজি জিপসাম সারের মূল্য ২২ হাজার ৬১০ টাকা এবং প্রতি কেজি ২২৫ টাকা দরে ৯০ কেজি জিঙ্ক সারের মূল্য ২০ হাজার ২৫০ টাকাসহ মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৩৪০ টাকা অনিয়মিতভাবে ব্যয় করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘বাংলাদেশে অর্কিড, ক্যাকটাস-সাকুরেন্ট ও বাল^-করম জাতীয় ফুলের জাত উন্নয়ন, সংগ্রহোত্তর ও মূল্য সংযোজন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিস্তার কর্মসূচি’র কোকোডাস্ট, মাটির পট, বিভিন্ন রাসায়নিক সার, বস্তা, ত্রিপল, বিভিন্ন ফুলের চারা গাছ, প্লাস্টিক পাইপ, সাইনবোর্ড ও মাটিসহ মোট ৪০ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৫ টাকা মূল্যের ১৫১টি আইটেমের মালামাল মজুদ বইয়ে যে তারিখে ভান্ডার রক্ষক গ্রহণ করেছেন, একই তারিখে ওই মালামাল প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক সহকারী বরাবর ইস্যু দেখানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও কর্তৃপক্ষ মালামাল কেনার বিপরীতে কোনো প্রকার চাহিদাপত্র নিরীক্ষা দলকে দেখাতে পারেনি। বিধি অনুযায়ী ভান্ডার গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট অফিসারকে এই মর্মে সার্টিফিকেট দিতে হবে, তিনি ভান্ডারসামগ্রী বাস্তবে গ্রহণ করেছেন এবং সেগুলো যথাযথভাবে স্টক রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করেছেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ওই বিধি না মেনেই ৪২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বারির পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে জানানো হয়েছে, গবেষণার কাজে ব্যস্ত থাকায় গ্রহণকারীরা স্টক বইয়ে সময়মতো স্বাক্ষর করেননি। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্টক বইয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার পর জবাব দেওয়া হবে। গবেষণার জরুরি প্রয়োজনে মালামালগুলো একই দিনে গ্রহণ ও বিতরণ দেখানো হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। এ জবাব স্বীকৃতিমূলক মন্তব্য করে অডিট বিভাগ বলছে, অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে। তাই দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করে আপত্তি করা অর্থ তাদের কাছ থেকে আদায় করা প্রয়োজন।

এদিকে বারির ‘উদ্যানতাত্ত্বিক ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ এবং চর এলাকার উদ্যান ও মাঠ ফসলের প্রযুক্তি বিস্তার প্রকল্প’র আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, যশোর অংশ ও ‘বাংলাদেশ তেলবীজ ও ডাল ফসলের উন্নয়ন প্রকল্প’র আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, যশোর অংশ এবং সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, কুষ্টিয়ার ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ কোটি ২২ লাখ খরচের ক্ষেত্রে কোনো বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বারির প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও ১৪টি গাড়ি পরিবহন পুলে জমা না দিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে জ্বালানি ব্যয়, মেরামত ও অন্যান্য ব্যয়ের কারণে ৩৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের খামার বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আবদুল মান্নান সময়ের আলোকে বলেন, নিয়ম মেনেই শ্রমিক নিয়োগ, মজুরি প্রদান ও কেনাকাটা করা হয়। অনিয়মের বিষয়ে তার জানা নেই। এ ছাড়া অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ ও তাদের মজুরি প্রদানের সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না।

সময়ের আলো/আরএস/ 



Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: