ধ্বংসস্তূপে পরিণত থানাগুলো, পুলিশশূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

একাত্তরে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে পাশে দাঁড়াতে পেরেছে যে পুলিশ, করোনা মহামারিতেও স্পষ্টতই মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে ছিল-সেই পুলিশই এখন জনগণের

2024-08-07T02:37:04+00:00
2024-08-07T02:37:04+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
ধ্বংসস্তূপে পরিণত থানাগুলো, পুলিশশূন্য
কর্মবিরতির ঘোষণা মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০২৪, ২:৩৭ এএম 
ধ্বংসস্তূপে পরিণত থানাগুলো, পুলিশশূন্য
একাত্তরে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে পাশে দাঁড়াতে পেরেছে যে পুলিশ, করোনা মহামারিতেও স্পষ্টতই মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে ছিল-সেই পুলিশই এখন জনগণের কাঠগড়ায়। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দাবিতে সম্প্রতি ছাত্র-জনতার সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি অনেক পুলিশ সদস্যও নিহত হয়েছেন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার কয়েকশ’ থানা ও পুলিশ স্থাপনা অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর করা হয়েছে। এর মধ্যে বাদ যায়নি খোদ পুলিশ সদর দফতরও। বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া থানাগুলো পুলিশ শূন্য। থানার সব গাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। 

গতকাল যাত্রাবাড়ী থানার সামনে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সাধারণত কোথাও মৃত্যু বা কেউ আক্রান্ত হলে এবং অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটলে পুলিশই মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। যার ফলে পুলিশ শূন্য হওয়ার কারণে লাশগুলো পড়ে থাকে থানার সামনেই। 

মাঠ পর্যায়ের পুলিশের দাবি, ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশক্রমেই তারা এমন কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। এ জন্য তারা ক্ষমাপ্রার্থী। যে সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এমন নিষ্ঠুর কাজের জন্য অধীনস্থ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন তাদের আইনের আওতায় এনে প্রকাশ্যে জনগণের সামনে বিচার করারও দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি যথাযথভাবে পদোন্নতির জট খুলে বিসিএস ক্যাডারদের বাদ দিয়ে নিম্নপদ থেকেই এসপিসহ ঊর্ধ্বতন পদে রাখার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। 

এ প্রসঙ্গে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এক ভিডিও বার্তায় বলেন, পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির যৌক্তিক সমাধান করা হবে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও দেশত্যাগের পর থেকে আতঙ্ক ও জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পুলিশ সদস্যরা। গত সোমবার সরকার পতনের পর পুলিশ সদর দফতরেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এমন অবস্থায় জীবনের শঙ্কায় ১১ দফা দাবি জানিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অধস্তন কর্মচারী সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার দুপুরে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকে সারা দেশে পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা, পুলিশ সদস্য খুনসহ স্থাপনা ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। দেশে প্রায় ৪৫০টি থানা আক্রমণ করে অগণিত পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে; যা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের শামিল। এহেন পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ পুলিশের অধস্তন কর্মচারী সংগঠন গতকাল থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা জানান, ‘বাংলাদেশ পুলিশ সরকারের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান। সরকার যা করতে বলবে, পুলিশ তাই করতে বাধ্য। এখানে পুলিশ সদস্যদের নিজস্ব ভূমিকা রাখার সুযোগ কম। ফলে পুলিশ সদস্যরা সরকারের আদেশে অনেক অনৈতিক কাজ করেছে। জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশ অন্যায় করেছে, এটা ঠিক। তবে সেটা নির্দিষ্ট কিছু পুলিশ সদস্য, সবাই না।’

পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের মাঠে নামিয়ে এখন তারা আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে কোনো বার্তা পাচ্ছি না। ওই সব পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে এনে এর জবাব দিতে হবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারণে আজ এমন বিভীষিকা। আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিয়েছে আমরা সেভাবেই কাজ করেছি। এখন আন্দোলনকারীদের মূল টার্গেট আমরা শঙ্কার মধ্যে ভুগছি। শত শত পুলিশ নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর মুখে পড়ছি।
পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘যে সরকার আসবে, পুলিশ সে সরকারের আদেশ মতোই কাজ করবে। এটাই পুলিশ নীতিমালা। বিগত সময়ে পুলিশ যা করেছে, তা পুলিশের নিজস্ব কাজ নয়। এটা সরকার করতে বাধ্য করেছে। আগামীতে যে সরকার আসবে, পুলিশ জনসাধারণের জানমাল রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের আদেশ মোতাবেক কাজ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই, আমাদের ভুল বুঝবেন না। পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ জনগণের সঙ্গে মিলে একসঙ্গে কাজ করতে চায়।’

১১ দফা দাবি : ১. সব পুলিশ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। ২. নিহত পরিবারের ক্ষতিপূরণসহ সেই পরিবারের ন্যূনতম একজন সদস্যের সমপদে নিয়োগ নিশ্চিত করা। ৩. আহত সব পুলিশ সদস্যের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা। ৪. আট ঘণ্টার বেশি ডিউটি পালনে বাধ্য না করা। আট ঘণ্টার বেশি ডিউটি পালনে ওভার ডিউটির সুবিধা দেওয়া। ৫. শুক্র এবং শনিবারসহ সব সরকারি ছুটি ভোগের সুযোগ প্রদান। দেশের স্বার্থে/জনগণের স্বার্থে ছুটি ছাড়তে না পারলে অতিরিক্ত কর্মদিবস হিসেবে আর্থিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা। ৬. ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ দানে সংবিধান ও জনগণের মনের কাক্সিক্ষত বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া। ৭. পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে শুরু করে সব মেট্রোপলিটন পুলিশ অফিস, পুলিশ লাইন্স, পুলিশ হাসপাতাল, থানা, পুলিশ ফাঁড়ি এবং ক্যাম্পের নিরাপত্তা বেষ্টনি জোরদার করে নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করা। ৮. যথাসময়ে সব পদে পদোন্নতির যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে বৈষম্য দূর করা ও বদলির আদেশ দানে নিজ জেলার নিকটবর্তী জেলার প্রাধান্য নিশ্চিত করা। ৯. বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মর্যাদা রক্ষায় পুলিশ সংস্কার আইন প্রণয়ন করা। যেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা দ্রুততম সময়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত সমস্যা ও দাবি সমাধানের আশ^াস আইজিপির : পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির যৌক্তিক সমাধানের আশ^াস দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। মঙ্গলবার বিকালে এক ভিডিও বার্তায় আইজিপি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের যে সব সদস্য জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আহত অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে যারা আছেন তাদের সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

আইজিপি বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে পুলিশ সদস্য ও পুলিশের স্থাপনাগুলোতে যাতে আক্রমণের ঘটনা না ঘটে সে জন্য সবাইকে আহ্বান জানানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

সে সঙ্গে পুলিশের স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী আমাদের অহর্নিশ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, যোগ করেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

আইজিপি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্যকে দৃঢ় মনোবল নিয়ে ধৈর্য সহকারে নিজের নিরাপত্তা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। আশা করছি সবার সহযোগিতায় দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।

বাংলাদেশ পুলিশের ফোকাল পার্সন অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমান : বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সবাই গা ঢাকা দিয়েছেন। চেইন অব কমান্ড ভেঙে গেছে। তাই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমানকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রমনার ইস্কাটন গার্ডেনে পুলিশ অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (চাকরিচ্যুত) খান সাঈদ হাসান অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষে এই ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, পুলিশে কমান্ড দেওয়ার মতো এখনও কেউ নেই। পুলিশ সদস্যসের যোগাযোগের জন্য তাকে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ পুনর্গঠন করে স্বৈরাচারী সরকারের আজ্ঞাবহ কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

বাহিনী নয়, পুলিশে নেতৃত্বে সমস্যা, দোষীরা শাস্তি পাবে : বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে মঙ্গলবার বিকালে বিবৃতি দিয়েছেন পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সোহেল রানা। 

তিনি বলেন, আন্দোলনে যারা শাহাদাতবরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এ মুহূর্তে দেশ ও জাতির মতো বাংলাদেশ পুলিশও একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দৃশ্যত বাংলাদেশ পুলিশ এখন নেতৃত্বহীন। অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে। জুনিয়র কর্মকর্তা ও সদস্যরা দিশেহারা। এরা সবাই নিরীহ সদস্য। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশের স্বার্থে রাষ্ট্রীয় একটি প্রতিষ্ঠান রক্ষার উদ্দেশ্যে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। শিগগিরই পুলিশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও নেতৃত্ব যথাযথভাবে সক্রিয় হবে বলে বিশ^াস করি।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার বিজয়ের ফল নতুন সরকার। সাধারণ ছাত্র-জনতাকে হত্যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথোচিত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, আমি নিশ্চিত। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি নিরীহ সদস্যদের পুরো উদ্যমে জনসেবায় ব্রত হওয়ারও সুযোগ দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের স্থাপনা ও সম্পদ পুলিশ নয়, জনগণের। পুলিশসহ রাষ্ট্রীয় সব সম্পদ ধ্বংস বা নষ্ট না করার অনুরোধ রইল। বাংলাদেশকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম পুলিশি সেবা উপহার দেওয়ার মেধা ও মানসিকতা সম্পন্ন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য বাংলাদেশ পুলিশেই রয়েছে। মেধা, যোগ্যতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেম মূল্যায়নে যোগ্য কর্মকর্তাদের উপযুক্ত পদে আসীন করা হলে জনগণ তাদের কাক্সিক্ষত ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ পাবে।

তিনি বলেন, শুধু বলতে চাই, যে পুলিশ একাত্তরে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আপনার পাশে দাঁড়াতে পেরেছে, যে পুলিশ করোনায় স্পষ্টতই মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে ছিল তাদের মধ্যে সীমাহীন ভালোটাও রয়েছে। আসুন ভালো মানুষকে টিকে থাকার ও ভালো গুণাবলী চর্চার সুযোগ করে দিই। মহান সৃষ্টিকর্তা চাইলে, নতুন প্রজন্মের নতুন আদর্শ নেতৃত্বে আমরা সেটা পারব। পাশাপাশি সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যদের কাছে অনুরোধ, সুযোগ পেলে আপনারা জনগণকে বিনয়ের সঙ্গে তাদের পক্ষে আপনাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করুন। পুনরায় জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবায় মনোনিবেশ করার ব্রত গ্রহণ করুন। সবার কাছে সেই সহযোগিতা চাচ্ছি।

সময়ের আলো/আরএস/



Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: