রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করে গত মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাতে বঙ্গভবনে বিক্ষোভ ও প্রবেশের চেষ্টার ঘটনার পর বুধবার (২৩ অক্টোবর) থেকে বাড়তি নিরাপত্তা রয়েছে। বঙ্গভবনের প্রধান ফটকের সামনে ব্যারিকেড ছাড়াও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়, যা এখনো দৃশ্যমান।
বঙ্গভবনের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যকে সশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে এপিসি, জলকামানসহ রায়ট কার।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, বঙ্গভবনকে ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া ফকিরাপুল মোড়ে আইনশৃঙ্খলাবাহীনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানে কাটাতার দিয়ে যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে। বঙ্গভবনের সামনে সেনাবাহীনি ও অন্যন্য সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। বঙ্গভবনের পাশ দিয়ে সায়েদাবাদ যাওয়ার রাস্তা কাটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। এই রুটে চলাচল করা যানবাহন গুলো গুলিস্তান হানিফ ফ্লাইওভারের পাশ দিয়ে চলাচল করছে।
এই এলাকা দিয়ে চলাচল করা পথচারীদের ভাষ্য, কাটাতারের ব্যারিকেডের কারণে তারা বঙ্গভবনের সামনের রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারছেন না। গত সরকারের আমলে বাড়তি নিরাপত্তা থাকলেও চলাচল বন্ধ ছিল না।
বাড়তি নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম শুক্রবার রাতে দৈনিক সময়ের আলোকে বলেন, বঙ্গভবনের নিরাপত্তায় দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন আছে। কতদিন তারা মোতায়েন থাকবেন এ বিষয়ে তথ্য দিতে পারেননি তিনি।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান শুক্রবার রাতে দৈনিক সময়ের আলোকে বলেন, বঙ্গভবন একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। বর্তমান পরিস্থিতির বিবেচনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে কতদিন এই নিরাপত্তা জোরদার থাকবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
সময়ের আলো/জেডআই