যবিপ্রবিতে স্বৈরাচারের চিহ্ন মুছতে শিক্ষার্থীদের লিখিত আবেদন

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

শিক্ষা

স্বৈরাচারের চিহ্ন মুছতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ভবনের নাম পরিবর্তনের দাবিতে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি লিখিত আবেদন

2024-11-30T22:22:23+00:00
2024-11-30T22:22:23+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
শিক্ষা
যবিপ্রবিতে স্বৈরাচারের চিহ্ন মুছতে শিক্ষার্থীদের লিখিত আবেদন
যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:২২ পিএম 
যবিপ্রবিতে স্বৈরাচারের চিহ্ন মুছতে শিক্ষার্থীদের লিখিত আবেদন
স্বৈরাচারের চিহ্ন মুছতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ভবনের নাম পরিবর্তনের দাবিতে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের নামকরণ করা হয়েছে যা ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের নামে করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীরা স্বৈরাচারের চিহ্ন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মো. সুমন আলী স্বাক্ষরিত আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, গত ১৬ বছর ধরে দেশের রাজনীতিতে ফ্যাসিবাদী ধারা প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং এর ছায়া বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়েছিল। ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নামকরণ করা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট পরিবারের সদস্যদের নামে। উদাহরণ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবন, শেখ হাসিনা ছাত্রী হল, শেখ রাসেল জিমনেসিয়াম, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রভৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় তারা এসব নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিলেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে কিছু নামফলক ভাঙার ঘটনাও ঘটে। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের তিন মাস পরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, ভবনের নামগুলো পুনঃনামকরণ করে জাতীয় শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করা হলে তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও গৌরবের বিষয় হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রারের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব বলেন, আমরা একটি আবেদন পেয়েছি, সেটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে, সেখানে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সময়ের আলো/আরআই





Loading...
Loading...
শিক্ষা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: