মিয়ানমারসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে পরপর দুবার শক্তিশালী ভূমিকম্পন আঘাত হেনেছে। গৃহযুদ্ধের মধ্যে থাকা মিয়ানমারে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো খবর পাওয়া না গেলেও থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে কম্পন বেশ তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে এবং কম্পনের তীব্রতায় নির্মাণাধীন ভবন ধসে পড়ার ভিডিও ফুটেজও সামনে এসেছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা ও ব্যাংকক পোস্ট।
ব্যাংকক পোস্ট বলছে, শুক্রবার বিকেলে মিয়ানমারে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে এবং এর জেরে ব্যাংককে কম্পন অনুভূত হয়েছে।
থাইল্যান্ডের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ বিভাগ জানিয়েছে, মিয়ানমারের মান্দালয়ে দুপুরে ১০ কিলোমিটার গভীরতায় ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ব্যাংককসহ থাইল্যান্ডের অনেক জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং রাজধানী ব্যাংককের মানুষজন আতঙ্কে বিভিন্ন ভবন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পের কারণে চাতুচাক জেলায় নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনও ধসে পড়েছে।
থাই কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করছে এবং আফটারশকের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।
আল জাজিরা বলছে, ব্যাংককের চাতুচাক এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে লোকজন আটকে থাকার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি ব্যাংককে কিছু মেট্রো এবং হালকা রেল পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে।
থাই প্রধানমন্ত্রী পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রা শুক্রবার বলেছেন, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর “জরুরি বৈঠক” করার জন্য তিনি দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ফুকেটে তার সরকারি সফর স্থগিত করেছেন।