ব্রাজিলে ওলবাকিয়া ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত মশার প্রজনন ঘটানো একটি জৈব কারখানা রয়েছে, যেটা বিশ্বের সবচেয়ে বড়। কারখানাটি করেছে ওলবিটো নামের একটি কোম্পানি, যারা বলছে, এসব মশার মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরে ব্রাজিলের প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে ডেঙ্গুর হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
গত জুলাইয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কুরিটিবা শহরে যাত্রা শুরু করে ‘ওলবিটো দু ব্রাজিল’ নামের কারখানাটি।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলছে, এ কারখানায় যেসব মশার প্রজনন ঘটে, সেগুলো কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ই ব্যবহার করে।
কারখানাটি ব্রাজিলভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান— ওজওয়ালদো ক্রুজ ফাউন্ডেশনের ‘ওয়ার্ল্ড মসকিউটো প্রোগ্রাম‘ও ‘ইনস্টিটিউট অব মলিকুলার বায়োলজি অব পারানার’ একটি যৌথ উদ্যোগ।
ওলবিটো বলছে, ওই কারখানায় প্রতি সপ্তাহে মশার ১০ কোটি ডিম উৎপাদন সম্ভব।
কোম্পানির প্রধান নির্বাহী লুসিয়ানো মোরেইরা বলেন, প্রতি ছয় মাসে ‘ওলবিটো দু ব্রাজিল’ প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা—ডব্লিউএইচও বলছে, এইডিস এজিপ্টা মশাবাহিত রোগটি স্থানীয়ভাবে ‘হাড়ভাঙ্গা জ্বর’ নামেও পরিচিত। প্রতি বছর বিশ্বে কয়েক কোটি মানুষ এতে সংক্রমিত হয়।
ডব্লিউএইচওর হিসাবে, প্রাণঘাতী এই রোগে গেল বছর ব্রাজিলে ৬ হাজার ২৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সময়ের আলো/এনএ