ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বৃহৎ অঞ্চল এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড়-সৃষ্ট প্রবল বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে। এতে কমপক্ষে ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং পুনর্বাসন তৎপরতা সমন্বয়ের এখনো কাজ করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালাক্কা প্রণালিতে একটি বিরল ক্রান্তীয় ঝড়ও তৈরি হয়েছে। এতে শ্রীলঙ্কায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারিয়ানতো এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, ইন্দোনেশিয়ার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সুমাত্রা দ্বীপে শুক্রবার পর্যন্ত ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টি থেমে গেলেও এখনো ৭৯ জন নিখোঁজ এবং হাজারো পরিবার বাস্তুচ্যুত রয়েছে।
৪০ বছরের বাসিন্দা মোহাম্মদ রাইস বলেন, ‘আমাদের সরবরাহ আর খাবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত পানি বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে ঘরের দ্বিতীয় তলায় উঠে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সপ্তাহখানেক ধরে তলিয়ে থাকা আবাসিক ভবনগুলোতে প্রবেশ করতে পারছেন উদ্ধারকর্মীরা, যেখানে নতুন নতুন মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে। এর কারণে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়ে গেছে। থাইল্যান্ডের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমলেও কিছু এলাকায় বজ্রঝড়ের সতর্কতা জারি রয়েছে।
সময়ের আলো/কেএইচও