তাইওয়ানের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশটি। তবে এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। রাজধানী তাইপাইয়ের ভবনগুলো ভূমিকম্পে কাঁপলেও এগুলো অক্ষত আছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তি ছিল মাটির ১১ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে। তাইওয়ানের ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পায়নি।
টিএসএমসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্বীপ রাষ্ট্র তাইওয়ানের বিভিন্ন জায়গায় তাদের ফ্যাক্টরি রয়েছে। তাইওয়ান দুটি টেকনোটিক প্লেটের জংশনে অবস্থিত। ফলে, এটি ভূকম্পন প্রবণ অঞ্চল।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, তাইতুনে সুপারমার্কেটের তাক থেকে পণ্য পড়ে ভেঙে যাচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর কাছে দু’টি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে তাইওয়ানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে।
ইউএসজিএস-এর মতে, এই অঞ্চলটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূকম্পন-সক্রিয় এলাকা।
সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পটি ঘটে ২০২৪ সালের এপ্রিলে, যখন ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী কম্পনে দ্বীপটি কেঁপে ওঠে। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, এটি ছিল ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ওই ভূমিকম্পে অন্তত ১৭ জন নিহত হন এবং ভূমিধসের পাশাপাশি হুয়ালিয়েন এলাকায় ব্যাপক ভবন ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এর আগে, ২০১৬ সালে তাইওয়ানে বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সে বছর ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। আর স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ১৯৯৯ সালে। সে বছর ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
সময়ের আলো/এনএ