প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৮ এএম আপডেট: ০৯.০১.২০২৬ ৫:৩৬ এএম
রাজধানী তেহরানসহ ছোট-বড় অন্তত ৫০টি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি : সংগৃহীতঅর্থনৈতিক সংকটের জেরে টানা ১২ দিনের বিক্ষোভে টালমাটাল ইরান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটিতে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নের খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলোর ওয়েবসাইটও বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও সংবাদমাধ্যমের অবস্থা ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস নিশ্চিত করেছে যে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত থেকে ইরানে দেশব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, তারা ইরানের বেশ কিছু সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর আগে বিক্ষোভ দমাতে ডিজিটাল সেন্সরশিপ আরোপ করা হলেও এখন তা পূর্ণাঙ্গ ব্ল্যাকআউটে রূপ নিয়েছে।
বিক্ষোভের তীব্রতা ও নিহতের সংখ্যা দেশটির রাজধানী তেহরানসহ ছোট-বড় অন্তত ৫০টি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির আহ্বানে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে আসে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর অত্যন্ত কঠোর আঘাত হানবে।
বিক্ষোভের নেপথ্যের কারণ মূলত ইরানি মুদ্রার (রিয়াল) ব্যাপক দরপতন এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাওয়ায় এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভকারীরা এখন কেবল অর্থনৈতিক সংস্কার নয়, বরং বর্তমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন।
সময়ের আলো/এসকে/