প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম আপডেট: ১০.০২.২০২৬ ১২:৪৭ পিএম
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। সংগৃহীত ছবি জাতীয় নির্বাচনে জাপানের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জয়ী হয়েছে। এরপর টোকিওকে সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন।
বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী যদি কোনো প্রকার বেপরোয়া পদক্ষেপ নেন, তাহলে তার সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য চীন প্রস্তুত।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার পদত্যাগের পর অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হন সানায়ে তাকাইচি। এরপর নভেম্বরে এক জনসভায় তিনি চীনের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্বায়ত্বশাসিত তাইওয়ান ভূখণ্ডে যদি চীন কখনও হামলা চালায়, তাহলে সামরিক সহায়তা নিয়ে তাইওয়ানের পাশে থাকবে জাপান বলে জানান তিনি।
তাকাইচি এই মন্তব্য করার পর প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বেইজিং। তবে জাপানের সরকার এ বিষয়ে আর অগ্রসর না হওয়ায় সেখানেই ব্যাপারটি থেমে গিয়েছিল।
এদিকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জাপানের জাতীয় নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে তাকাইচি। এখন জাপানের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের অপেক্ষায় তিনি। এমন পরিস্থিতিতেই তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানকে ফের সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন।
সোমবার বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদসম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, জাপানের কট্টর ডানপন্থি শক্তি যদি পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণে ভুল করে এবং তাইওয়ান ইস্যুতে বেপরোয়া কোনো পদক্ষেপ নেয়— তাহলে চীন ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যাবে। চীন যে কোনো বেপরোয়া পদক্ষেপের সমুচিত জবাব দেবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, স্বায়ত্বশাসিত ভূখণ্ড তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র মনে করে। অন্যদিকে চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজ ভূখণ্ডে অংশ বলে দাবি করে আসছে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এ ইস্যুতে চীনের পক্ষে। বেইজিংয়ের প্রতি ব্যাপকভাবে শত্রুভাবাপন্ন তাইওয়ানকে বিভিন্ন উপায়ে চাপে রাখে বেইজিং, তবে এখন পর্যন্ত চীন এ দ্বীপ ভূখণ্ডে সামরিক আগ্রাসন চালায়নি।
/ইউএমএইচ