প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০২ পিএম আপডেট: ১৩.০২.২০২৬ ৫:০৪ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প। সংগৃহীত ছবিমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা থেকে তিনি সরে আসছেন না। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগ চলমান থাকলেও বৃহস্পতিবার তিনি এ বার্তা দেন।
সেদিন ট্রাম্প তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল—মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন।
খবরে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওই অঞ্চলে পাঠানোর লক্ষ্যে একটি বিমানবাহী রণতরিকে প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন। নতুন রণতরিটি সেখানে আগে থেকেই অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে ট্রাম্প পুনরায় উল্লেখ করেন, তিনি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ইরানের সঙ্গে সমঝোতা সম্ভব কি না, তা যাচাই করতে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
এর আগে, গত সপ্তাহে ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যা গত বছরের পর প্রথম দফার সংলাপ। ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে পরবর্তী বৈঠকের সময়সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এদিকে তেহরান সতর্ক করে বলেছে, চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগে যেন নেতানিয়াহু কোনো বাধা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে ওয়াশিংটনের সজাগ থাকা প্রয়োজন।
/ইউএমএইচ