প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন সরকার গঠনের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলোতে পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার পদে সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে নানা মহলে জল্পনা চলছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা ও হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর র্যাবকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত শহিদুর রহমানকে অন্তর্বর্তী সরকার চুক্তিভিত্তিকভাবে মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেয়। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আইজিপি পদের আলোচনায় শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (গ্রেড-১) এবং পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন খান পাঠানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। তিনি ২০২২ সালে অবসরে যান।
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর থেকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সে অনুযায়ী তার মেয়াদের এখনো প্রায় নয় মাস বাকি রয়েছে।
অন্যদিকে, ডিএমপি কমিশনার পদেও পরিবর্তনের গুঞ্জন রয়েছে। এ পদে সম্ভাব্য হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ এবং অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় আছে। এছাড়া র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদকেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ চলতি বছরের ২১ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা।
একাধিক সূত্রের দাবি, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে বড় ধরনের রদবদল হতে পারে।
/ইউএমএইচ