পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানা বা গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’ (এলইইডি) সনদ অর্জন করেছে দেশের আরও দুই কারখানা। ফলে বাংলাদেশে এলইইডি সনদপ্রাপ্ত আরএমজি কারখানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৫টিতে।
এর মধ্যে ১১৬টি প্লাটিনাম, ১৪০টি গোল্ড ও ১৫টি সিলভার রেটিংপ্রাপ্ত কারখানা রয়েছে। এ ছাড়া চারটি শুধু এলইইডি সনদপ্রাপ্ত কারখানা। সব মিলিয়ে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে টেকসই উৎপাদনের অগ্রযাত্রায় আরও এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
জানা যায়, ফ্যাশন ফ্লোর বিডি লিমিটেড ‘এলইইডি বিডি+সি. নিউ কনস্ট্রাকশন ভি৪’ রেটিং সিস্টেমে ৭১ পয়েন্ট অর্জন করে গোল্ড সনদ লাভ করেছে।
কারখানাটি পরিবেশবান্ধব নির্মাণ, এনার্জি দক্ষতা, পানি ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করে এ স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
এ ছাড়া এমএনআর সুইটার্স লিমিটেড ‘এলইইডি ও+এম. এক্সিস্টিং বিল্ডিংস ভি৪.১’ রেটিং সিস্টেমে ৮৫ পয়েন্ট অর্জন করে প্লাটিনাম সনদ পেয়েছে।
বিদ্যমান ভবনের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে উচ্চ মানের এনভায়রনমেন্টাল দক্ষতা, শক্তি সাশ্রয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিত করায় প্রতিষ্ঠানটি এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
এদিকে বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত শীর্ষ ১০০ এলইইডি কারখানার মধ্যে বর্তমানে ৭০টি বাংলাদেশের, যা টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে দেশের বৈশ্বিক নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে। নতুন দুই কারখানার সংযোজন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা বৃদ্ধি, শক্তি ব্যয় সাশ্রয় এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে গ্রিন ফ্যাক্টরি উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থায় এই ধারাবাহিক অগ্রগতি বাংলাদেশের আরএমজি খাতকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করবে।
সময়ের আলো/আরবিএন