দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলাজুড়ে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানিয়েছে, রাতভর এ হামলায় আরও অনেকে আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তির মাত্র একদিন পরই এ ভয়াবহ হামলা চালানো হলো।
এনএনএ জানায়, নাবাতিয়েহ শহর, কাফার জৌজ এবং কাফার রেমান ও জেবদিনসহ এর আশেপাশের বেশ কয়েকটি শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া কাফার তিবনিত এবং রায়হান হাইতেও একের পর এক বিমান হামলা চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ ও হারুফে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আল-শারকিয়া ও দৌয়েরের মধ্যবর্তী একটি বাড়িতে হামলায় চারজন এবং কাফার সির শহরে এক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
এনএনএ আরও জানায়, দুয়াইর পৌরসভা ভবনের কাছে একটি মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তিচুক্তিতে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের কথা থাকলেও মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। চুক্তি স্বাক্ষরের পরও দক্ষিণ লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নেতানিয়াহু বাহিনী।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় চার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার মানুষ। ১০ লাখের বেশি লেবানিজ নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। দক্ষিণ লেবাননে দখলদাররা অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে ড্রোন, রকেট ও গোলাবর্ষণের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলে তারা। এতে ইসরায়েলি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয় বলে দাবি সংগঠনটির।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ