প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে গিয়েছেন তারেক রহমান। সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে। দুই নেতার এ বৈঠকে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈঠকে খুলতে পারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে ১৭তম বার্ষিক ‘সামার দাভোসের’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুরে ট্রেনে করে বেইজিংয়ের পথ ধরবেন।
আগামী ২৬ জুন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। ওইদিন চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করবেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা আছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে নেই। তবে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইস্যুটি আলোচনায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রায় ২৪০ বছরের পুরোনো নদী তিস্তার সঙ্গে রয়েছে উত্তরের ২৫টি নদীর প্রবাহ। ২০১৪ সাল থেকে ভারত সরকার একতরফা তিস্তার পানি প্রত্যাহার করছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদীটি একেবারেই শুকিয়ে যায়। যার ফলে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ উত্তরের জেলাগুলোতে দুর্ভোগের শেষ নেই।
চীনের হোয়াংহো নদীকে একসময় বলা হতো চীনের দুঃখ। কিন্তু নদীশাসন করায় হোয়াংহো এখন হয়ে গেছে চীনের কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ। হোয়াংহোর মতোই এখন তিস্তা ড্রেজিং করে কোটি মানুষের দুঃখ ঘোচানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/কেএইচও