ভারতের মুম্বাইয়ে টানা মৌসুমি বৃষ্টিতে একটি পুরনো ভবন ধসে পড়ে পাঁচ শিশুসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এসময় আরও কয়েকজন বাসিন্দা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।
স্থানীয় আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে ১০০ মিলিমিটারের (৩.৯ ইঞ্চি) বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় ১৬১ মিলিমিটার (৬.৩ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
ভারি বৃষ্টির কারণে শহরের যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে যাওয়ায় মুম্বাইয়ের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গেল রোববার প্রাণহানির এ ঘটনা ঘটে।
নগর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রোববার মুম্বাইয়ের মানখুর্দ এলাকায় একটি বস্তির দুই থেকে তিনটি বহুতল ভবন ধসে পড়ায় পাঁচ শিশু ও এক নারী নিহত হন।
ভারি বৃষ্টির কারণে মুম্বাই-পুনে এক্সপ্রেসওয়েতেও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ায় দুই শহরের মধ্যে যান চলাচল ব্যাহত হয়। বৃষ্টির কারণে বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। মুম্বাই-পুনে দূরপাল্লার ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে।
ইরানের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি লাল ব্যানার বহন করে পায়ে হেঁটে ও যানবাহনে করে শোকাহতদের মিছিলগুলো সেই স্থানের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে।
শুক্রবার তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ শায়িত রাখার মধ্য দিয়ে কয়েক-দিনব্যাপী এই জানাজা শুরু হয়, যেখানে বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শনিবার ও রোববার যথাক্রমে সর্বজনীন বিদায় ও প্রার্থনার মাধ্যমে এই কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। সোমবার, ইরানের রাজধানীর মধ্য দিয়ে জানাজার গাড়িবহর যাওয়ার সময় তেহরানের রাস্তাগুলোতে বিশাল জনসমাগম হয়।
বুধবার ইরাকে এই অনুষ্ঠানগুলো চলবে। চূড়ান্ত জানাজা বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অষ্টম শিয়া ইমাম, ইমাম রেজা (আঃ)-এর মাজারে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে দাফন করা হবে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ