কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা আরেকটি জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। দলের জয়ে আবারও উজ্জ্বল ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। টুর্নামেন্টে নিজের অষ্টম গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা ফ্রান্সকে শেষ চারে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমবাপের কাছে জানতে চাওয়া হয়, দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এখন ফ্রান্স কিছুটা স্বস্তিতে আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘স্বস্তি পাওয়ার একটাই উপায়, জয়। আমরা সেমিফাইনালে উঠেছি ঠিকই, কিন্তু এখনও অনেক পথ বাকি।’
সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী। তবে প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবছেন না এমবাপে। তার ভাষায়, ‘সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আমরা বিশ্রাম নেব, নিজেদের পুরোপুরি প্রস্তুত করব এবং দেখব সেমিফাইনালে কার মুখোমুখি হতে হবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই, জয় এবং বিশ্বকাপে এগিয়ে যাওয়া।’
তবে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে একটি হতাশার মুহূর্তও ছিল এমবাপের জন্য। প্রথমার্ধে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। তার দুর্বল শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। এটি ছিল বিশ্বকাপে নিয়মিত সময়ে এমবাপের ক্যারিয়ারের প্রথম পেনাল্টি মিস। এর আগে ২০১৮ বিশ্বকাপে একটি এবং ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে দুটি পেনাল্টি সফলভাবে করেছিলেন তিনি।
ম্যাচের শেষদিকে ডান পায়ের শিনে আঘাত পেয়ে কিছুটা অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন এমবাপে। বেঞ্চে বসে তাকে বরফ ব্যবহার করতেও দেখা যায়। তবে ইনজুরি নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই বলে নিজেই নিশ্চিত করেছেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
তিনি বলেন, ‘সব ঠিক আছে। শিনে একটি আঘাত পেয়েছিলাম, তবে গুরুতর কিছু নয়। আমার বদলি হিসেবে মাতেতা প্রস্তুত ছিল এবং সে ভালোই খেলেছে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আট গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছেন এমবাপে। একই সঙ্গে ফ্রান্সকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়ার স্বপ্নও জিইয়ে রেখেছেন এই ফরাসি সুপারস্টার।
সময়ের আলো/এসএকে