২০২৪ সালের ২৭ জুলাই। দেশজুড়ে তখনও চলছিল টানা আন্দোলন। একদিকে তৎকালীন সরকারের জারি করা কঠোর কারফিউ, অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের ‘ব্লক রেইড’ কর্মসূচিতে সারাদেশে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। এদিন ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক যে ব্যাখ্যা দেন, তা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয় এবং জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে তোলে।
এদিন আটক করা হয় আরও কয়েকজন সমন্বয়ককে। একই সঙ্গে চলে দেশব্যাপী গ্রেফতার অভিযান। সব মিলিয়ে আরেকটি অগ্নিঝরা দিনের সাক্ষী হয় বাংলাদেশ।
এদিনেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও তিন সমন্বয়ক আটক হন। সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আরিফ সোহেলকে তুলে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ।
একই সঙ্গে চলতে থাকে দেশজুড়ে গণগ্রেফতার অভিযান। টানা ১১ দিনের অভিযানে ততদিনে গ্রেফতারের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে।
এদিকে, ২৭ জুলাই রাজধানীর অর্থোপেডিক হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজ নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে পরিদর্শন করেন ক্ষতিগ্রস্ত সেতু ভবন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজা।
১৭ বছর বয়সী কলেজশিক্ষার্থী হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজকে দড়ি দিয়ে বেঁধে আদালতে নেওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
সেদিনও ৯ ঘণ্টা শিথিল ছিল কারফিউ। পরবর্তী তিন দিনের জন্য অফিস কার্যক্রম ৬ ঘণ্টা নির্ধারণ করে সরকার।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ