সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে ঋণ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হয়েছে। পে সার্ভিস কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীর সংশ্লিষ্ট পে কমিটি এবং বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এরপর মন্ত্রিসভা প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে পে-স্কেল কবে থেকে এবং কত ধাপে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
নতুন পে-স্কেলের অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ঋণও নেওয়া হবে। অর্থনীতিতে ইতিবাচক গুণপ্রভাব তৈরি হলে ঋণ নেওয়াকে নেতিবাচকভাবে দেখার কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগের ওপর প্রাপ্তি, ভবিষ্যতের পরিবেশগত প্রভাব, অর্থের যথাযথ মূল্য এবং তাৎক্ষণিক গুণপ্রভাব বিবেচনায় রাখতে হবে।
নতুন পে-স্কেলের আওতায় মূল বেতনভোগী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। পেনশনভোগীদের যুক্ত করলে মোট সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ হতে পারে। মূল্যস্ফীতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
বেতন বাড়ালেই দুর্নীতি কমবে, এমন নিশ্চয়তা সরকার দিচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য কার্যকর ও যুক্তিসংগত ব্যবস্থা নেওয়া।
সময়ের আলো/এমকে