ডিএনসিসির ওয়াকিটকি ক্রয়ে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ অপচয় ও আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একজন উপ-পরিচালককে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) কমিশনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দুদকের জনসংযোগ দফতর জানিয়েছে।
এর আগে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ে ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালায় দুদক। ওই সময় সংস্থাটির কর্মকর্তারা ডিএনসিসির প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ওয়াকিটকি ক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করেন।
দুদক সূত্র জানায়, দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে ওয়াকিটকি সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সনদ ব্যবহার করে দরপত্রে যোগ্যতা অর্জন করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সংগৃহীত নথি ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনায় দুদক দেখতে পায়, ডিএনসিসি যে দামে ওয়াকিটকি কিনেছে, তা অন্যান্য সরকারি সংস্থার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। এতে সরকারি অর্থের অপচয় বা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধানের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানে দরপত্র প্রক্রিয়া, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, ব্যবহৃত সনদ, পণ্যের প্রকৃত বাজারমূল্য এবং ডিএনসিসির পরিশোধ করা অর্থ যাচাই করা হবে। একইসঙ্গে ক্রয়প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা সরকারি অর্থের ক্ষতি হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুদক।
সময়ের আলো/এমকে