সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার জন্য শয্যা বা প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না পাওয়া গেলে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী পাঠিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে সরকার চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে জরুরি মতবিনিময় সভা শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান।
মীর শাহে আলম বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালের একটা পাইলটিং বোধহয় হচ্ছে। কোনো সরকারি হাসপাতালে শয্যা বা চিকিৎসার জন্য অন্য কোনোকিছুর সংকুলান না হলে সেই রোগীদের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ যে তথ্য দিয়েছে, তাতে হাসপাতালে স্যালাইনের ব্যবস্থা পর্যাপ্ত রয়েছে। ডেঙ্গু শনাক্তের পরীক্ষার কিটও পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসা উপজেলা লেভেলে ছিল না। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, রেড মার্কিংকৃত উপজেলাগুলোতে প্রয়োজন হলে বেডের সংখ্যা বাড়াতে হবে। কোথাও পাঁচটি বেড থাকলে প্রয়োজন হলে ডেঙ্গুরোগীর জন্য ১০টি করতে হবে। এসব এলাকায় পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গুরোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। সিলেট ও রংপুরে রোগী প্রায় নেই বললেই চলে। রাজশাহীতেও তুলনামূলক কম।
সময়ের আলো/কেএইচও