দূর হোক সব বৈষম্য, প্রতিষ্ঠা পাক সম্প্রীতি

ড. মো. আনোয়ার হোসেন

মতামত

ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে মিলনের গান গাইতে হবে। সংস্কৃতির আলো দিয়ে সমাজের সব অন্ধকারের দেয়াল ভেঙে ফেলতে হবে। বিভেদের

2026-09-21T05:58:45+00:00
2026-09-21T05:58:45+00:00
 
  সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৬ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মতামত
বিশ্ব শান্তি দিবস
দূর হোক সব বৈষম্য, প্রতিষ্ঠা পাক সম্প্রীতি
ড. মো. আনোয়ার হোসেন
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৮ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে মিলনের গান গাইতে হবে। সংস্কৃতির আলো দিয়ে সমাজের সব অন্ধকারের দেয়াল ভেঙে ফেলতে হবে। বিভেদের দেয়াল ভেঙে সবাইকে ভালোবাসার এক সুতোয় বাঁধতে হবে। লোকজসংগীত আমাদের সেই শান্তির পথ ও আলোর দিশা দেখায়। সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গড়ে উঠুক এক সুন্দর ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ।

শান্তিময় পৃথিবী বিনির্মাণে টেকসই সহাবস্থান ও জলবায়ু সচেতনতা আজ অত্যন্ত জরুরি। প্রযুক্তি, সবুজ বিপ্লব, সম্পদের সুষম বণ্টন এবং লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধন শান্তির পথ সুগম করতে পারে। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে নানা সংকট মানবসভ্যতাকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ করছে। বৈষম্য দূর করে সম্প্রীতি বজায় রাখাই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

১. পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষরা নানা সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন। ভূমির অধিকার নিয়ে বিরোধ তাদের জীবনযাত্রাকে প্রতিনিয়ত ব্যাহত করছে। 

সাংস্কৃতিক অমিল ও ভাষার দূরত্বের কারণে মূলধারার জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। পাহাড়ি ও সমতলের মানুষের মধ্যে নিয়মিত সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান বাড়ানো দরকার। শিক্ষার মাধ্যমে বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরলে ভুল বোঝাবুঝি অনেক কমে আসবে। আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভূমি অধিকার রক্ষা করতে হবে। রাষ্ট্রীয় নীতিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ালে তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করবে।

নৃগোষ্ঠীদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতে হবে। গণমাধ্যমে তাদের জীবনধারা ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা সামাজিক দূরত্ব কমাতে পারে। পর্যটন শিল্পকে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন স্থানীয় মানুষ লাভবান হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বহুত্ববাদী সংস্কৃতির পাঠ্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ হতে পারে।

ঐতিহ্যগত জ্ঞান ও সংস্কৃতির বিনিময় যুবসমাজের মধ্যে সম্প্রীতি বাড়াতে সাহায্য করবে। যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় প্রথাগত বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান জানানো উচিত। টেকসই উন্নয়নের জন্য পাহাড়ি অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করা সমানভাবে জরুরি। একে অপরের উৎসব ও রীতিনীতিকে শ্রদ্ধা জানালে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় হয়। শান্তি চুক্তিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন পাহাড়ে স্থায়ী স্থিতিশীলতা আনয়ন করতে পারে।

সংলাপের মাধ্যমে সব পক্ষের ক্ষোভ ও দাবিগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজতে হবে। বৈচিত্র্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের দেশের আসল সৌন্দর্য ও শক্তির উৎস। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পাহাড় ও সমতলে টেকসই সহাবস্থান নিশ্চিত করতেই হবে।

২. জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। সমুদ্রের জলস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি ও তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে হাজারো পরিবার প্রতিদিন গৃহহীন হয়ে পড়ছে। জীবিকার সন্ধানে এই বাস্তুচ্যুত মানুষরা দলে দলে শহরে চলে আসছেন। এর ফলে শহরের ওপর জনসংখ্যার চাপ ও নাগরিক সংকট তীব্র হচ্ছে।

শহরের বস্তিগুলোতে তারা অত্যন্ত মানবিক ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে বাধ্য হন। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। জলবায়ু উদ্বাস্তুদের এই শহরমুখী স্রোত ঠেকাতে সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে।
উপকূলীয় অঞ্চলেই বিকল্প ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। লবণাক্ততা সহনশীল ফসলের চাষ বাড়িয়ে 

কৃষি খাতকে রক্ষা করা যেতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় বেশি করে সাইক্লোন শেল্টার ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা দরকার। স্থানীয়ভাবে অর্থনৈতিক জোন তৈরি করলে মানুষের শহরমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আধুনিক সব নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা দরকার।

বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য জলবায়ু সহনশীল আদর্শ গ্রাম প্রকল্প গড়ে তোলা যায়। তাদের নতুন কোনো পেশায় দক্ষ করতে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যুবসমাজকে স্থানীয় সম্পদ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলে এই সমস্যা বহুলাংশে সমাধান করা সম্ভব।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা দরকার। বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে উপকূলের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা দেয়াল শক্তিশালী করা জরুরি। সঠিক ও দূরদর্শী পরিকল্পনাই পারে এই মানবিক বিপর্যয় থেকে দেশকে বাঁচাতে।

৩. বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযুক্তির অপব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে সহিংসতা ঘটানো হচ্ছে। সাইবার বুলিং ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে অনেকে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। তরুণ সমাজ পর্নোগ্রাফি ও অনলাইন গেমিং আসক্তিতে জড়িয়ে সময় নষ্ট করছে। ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।

সুস্থ ডিজিটাল সমাজ গড়তে হলে সাইবার নিরাপত্তা আইন আরও কঠোর করতে হবে। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক নজির স্থাপন করা প্রয়োজন। ডিজিটাল লিটারেসি বা প্রযুক্তিগত সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ ক্লাস নেওয়া দরকার। ইন্টারনেট ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা উচিত।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ইতিবাচক ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরিতে তরুণদের উৎসাহিত করা যেতে পারে। গুজব প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সত্য তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা থাকা দরকার। সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের জন্য সহজ ও নিরাপদ আইনি সহায়তার কেন্দ্র খোলা দরকার। প্রযুক্তিকে ধ্বংসের হাতিয়ার না বানিয়ে সৃজনশীল কাজে লাগানোর মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

ডিজিটাল মাধ্যমে একে অপরকে সম্মান জানানোর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করা দরকার। দেশের আইটি বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে নিরাপদ দেশীয় অ্যাপস তৈরি করা যেতে পারে।

সাইবার সচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলো বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সুস্থ মানসিকতা ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমেই ডিজিটাল রূপান্তর সফল হবে। প্রযুক্তির সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার আমাদের আগামী প্রজন্মকে সুন্দর পথ দেখাবে। একটি নিরাপদ ও সুস্থ ডিজিটাল সমাজ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

৪. সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে ধর্মের নামে বিভেদ ও অসহিষ্ণুতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। স্বার্থান্বেষী মহল ধর্মকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এর ফলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে। ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য ধর্মের মূল বাণী শান্তি ও মানবতাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

আমাদের সুস্থ ধারার লোকজ ও বাউল গান সবসময় জাত-পাতহীন সমাজের কথা বলে। লালন, হাছন ও শাহ আবদুল করিমের গান মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়। এই গানগুলো সব ধর্মের মানুষকে এক মঞ্চে নিয়ে আসতে পারে। লোকজ সংগীতের মূল দর্শন হলো মানুষের জয়গান ও পরম পরমতসহিষ্ণুতা। জাতের বিচার ভুলে মানুষ হিসেবে বাঁচাই এই সংস্কৃতির প্রধান শিক্ষা। সমাজের শান্তির জন্য এই উদার দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। সুস্থ ধারার গ্রামীণ সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন নিয়মিত করা যেতে পারে। লোকসংগীতের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটানো খুব সহজ ও কার্যকর। সংগীতের সুর দিয়ে মানুষের মনের সংকীর্ণতা ও হিংসা দূর করা সম্ভব।

গণমাধ্যমে লোকজ সংস্কৃতির প্রচার বাড়িয়ে তরুণ সমাজকে আকৃষ্ট করা যেতে পারে। সম্প্রীতির বার্তা ছড়াতে পাড়ায় পাড়ায় সুস্থ সাংস্কৃতিক ক্লাব গড়ে তোলা যায়। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে মিলনের গান গাইতে হবে। সংস্কৃতির আলো দিয়ে সমাজের সব অন্ধকারের দেয়াল ভেঙে ফেলতে হবে। বিভেদের দেয়াল ভেঙে সবাইকে ভালোবাসার এক সুতোয় বাঁধতে হবে। লোকজসংগীত আমাদের সেই শান্তির পথ ও আলোর দিশা দেখায়। সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গড়ে উঠুক এক সুন্দর ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ।

৫. পৃথিবীতে প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত কিন্তু মানুষের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার বৈষম্য আজ চরম রূপ ধারণ করেছে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে দেশের অধিকাংশ সম্পদ পুঞ্জীভূত হয়ে আছে। সম্পদের এই চরম অসমান বণ্টন সমাজে অশান্তি ও অপরাধ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সবুজ বিপ্লব ও আধুনিক কৃষির মাধ্যমে উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ, সার ও প্রযুক্তি বিনামূল্যে পৌঁছাতে হবে। কর ব্যবস্থার সংস্কার করে ধনীদের ওপর উচ্চ হারে কর ধার্য করা উচিত। অর্জিত করের টাকা দরিদ্র মানুষের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় করুন। সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ ও ব্যবসা ব্যবস্থার প্রসার ঘটানো দরকার।

সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎপাদন খরচ কমিয়ে পরিবেশ রক্ষা করা যাবে। নদী ও জলাশয়গুলো উদ্ধার করে মৎস্য চাষের ব্যাপক উন্নয়ন করতে হবে। অনাবাদি জমিতে যৌথ খামার গড়ে তুলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান করা যেতে পারে। সম্পদের অপচয় রোধে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ দরকার। প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করা উচিত। সম্পদের সুষম বণ্টন হলে সমাজে অপরাধ ও অশান্তি অনেক কমে আসবে। একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনই প্রকৃত শান্তির একমাত্র মূল চাবিকাঠি।
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় আমাদের বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে জ্বালানি সংকট দূর করা সম্ভব। সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। সবুজ পৃথিবীর বুকে সমতার সমাজ গড়ে তোলার শপথ নিতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিময় বাংলাদেশ ও পৃথিবী গড়ে তুলব।

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব শান্তি দিবস ২০২৬-এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারিত হয়েছে— ‘শান্তিতে বিনিয়োগ করুন : সবার জন্য, সবখানে, প্রতিদিন’। এই প্রতিপাদ্যটি বর্তমান অস্থির বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। শান্তি কেবল যুদ্ধের অনুপস্থিতি নয়, বরং এটি সবার নিরাপত্তা ও মর্যাদার অধিকার।

বিশ্ব শান্তি দিবসে আহ্বান— শান্তির গান গাই মোরা সবাই মিলে, বিভেদ ভুলে বাঁচি এই ধরণীর তলে। প্রযুক্তির আলো হোক কল্যাণের তরে, সবুজ বিপ্লব আসুক প্রতি ঘরে ঘরে। সংস্কৃতির সুরে হোক হিংসার অবসান, মানবধর্মই হোক মোদের চিরন্তন গান। টেকসই সহাবস্থান এবং সম্পদের সুষম বণ্টনই পারে বাংলাদেশ ও বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করতে। জলবায়ু সচেতনতা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার আমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়বে। লোকজ সংস্কৃতি ও লোকসংগীতের দর্শন মানুষের মনের সব ভেদাভেদ দূর করে। আসুন আমরা সবাই মিলে এক শান্তিময় ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ গড়ে তুলি। এই বার্তা হোক আমাদের সুন্দর আগামীর মূল চালিকাশক্তি।

লেখক : প্রাবন্ধিক
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   বৈষম্য  প্রতিষ্ঠা  সম্প্রীতি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: