আঞ্চলিক সংকট নিরসনে আন্তরিক ও সরাসরি সংলাপের ওপর জোর দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ইরানের পার্লামেন্টের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, পারস্পরিক সমন্বয় ও আলোচনার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব।
তানজানিয়ার আরুশায় ১৫৩তম ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) অ্যাসেম্বলির সাইডলাইনে মঙ্গলবার ইউএইর ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের (এফএনসি) আইপিইউ গ্রুপের প্রধান ও প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ড. আলী রশিদ আল নুয়াইমি ইরানের পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দলের প্রধান মানুচেহর মোত্তাকির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের পার্লামেন্টের মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
আল নুয়াইমি বলেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে সম্পর্ক ও অংশীদারত্ব জোরদার, শান্তি-নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নিতে পার্লামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা সংলাপ প্রয়োজন। এ ধরনের আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এমন সমাধানে পৌঁছাতে হবে, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াবে।
ইউএইর এফএনসি পার্লামেন্টারি কূটনীতি আরও এগিয়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংলাপের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহী বলেও জানান আল নুয়াইমি। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মূল্যবোধকে এগিয়ে নেওয়ার ইউএইর অবস্থান প্রতিফলিত হয়।
বৈঠকে দুই পক্ষ অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক উন্নয়নে সংলাপ, সমন্বয় ও পরামর্শ অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পার্লামেন্টারি ফোরামে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ মতপার্থক্য কমানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে।
সময়ের আলো/জেডি